প্রায় দু বছর আগের কথা-
স্থান পুরুলিয়ার অযোধ্যা, উদ্দেশ্য মহুয়াবন দেখা
সাথে ছিল স্থানীয় ড্রাইভার কালুদা
দারুন গাড়ি চালাই, জায়গার সম্পর্কে বলেন-
গিয়ে পৌঁছলাম মহুয়ার বনে, মন দেখে আপ্লুত!
কোথা হইতে আইছেন কইলকাতা?
জিজ্ঞেস করল এক স্থানীয় কিশোর
পাহাড় দ্যাইখবেন,ফটক তুলবেন?
জিজ্ঞেস করায় বলে,কেলাস ফাইভে পইড়ি।
কিছু মহুয়ার ফুল ডাল সমেত এনে বলে;
এই লিন মহূলা গাছের ফুইল-
গন্ধক আছে বটে।খাইবেন নাকি?নেশা হইবেক!
ইহার ও তেল হয় ও বটে, গায়ে হাতে পায়ে;
মালিশ করলে পারে ভাইলো হয় বটে-
সঙ্গে কালু দা বলে ইহার সাদা ভাইগ
আর লতাপাতা দিইয়া সবজি বানায়, পরব হয়;
গাছের ডাল উহাদের বিহার কাজে লাগেক-
কালুদা ও ওই কিশোর টি হাতে কিছু মহুয়া
বা মহুলার ফুল দিল নিয়ে আসবার জন্য-
সেই আন্তরিকতা ও ভালোবাসা আজও স্মৃতি হয়ে আছে...
(বিশেষ দ্রষ্টব্য: পুরুলিয়ার অযোধ্যার ভাষায় রচিত)
