রোপন করা ঋণ
ওরা কারা, শস্যের জমিনে রোপন করছে ঋণ—
শাসনের আলে কাত করে রাখে ক্ষুধা ও দারিদ্র্য?
কেন শুধু ওদের বসন্ত সংগ্রামের এক রঙে রাঙা,
কেন ভাতের বসন্ত ছাড়া কোন ঋতু ছোঁয় না হৃদয়?
কত শত ঋতু আসে-যায় সৌখিন বাতাসের শাঁখায়
ওদের নারীদের শরীর নিরালম্ব সরল রেখায় —
কত রমণী আঁকে খোয়াব ভাঙে খোঁয়ারি চোখের খাঁচা—
ডানা ঝাপটানোর জীবন—ওদের কাছে খাঁচাই বাঁচা।
অথচ দুই পক্ষের নদী একই পাহাড় ঘেঁষে বয় —
তবু অপর পক্ষের ক্ষুধা একটু বেশি বৈচিত্র্যময়।
দুই পক্ষের একই চাঁদ অথচ জোছনায় তফাত
দুই পক্ষের এক সূর্যাস্ত—উদয়ের দারুণ সকাল
সব কিছুর মধ্যে এমন বেড়িবাঁধ কারা বেঁধে দিল?
সব রাষ্ট্রের পিঠে চেপেছে— নিজের মনে হাঁটছে দেশ
তবু যে দেশে-রাষ্ট্রে পার্থক্য,হাঁটায় এমন রকমফের
কে দূর করবে ভেদাভেদ,সারিয়ে তুলবে দারুণ ঘা?
রাষ্ট্র গঠনের স্বপ্নে যারা ছোটাছুটি করে রথে চেপে যেতে যেতে কতোটা দেখবে কৃষকের কান্না দৃষ্টি মেপে!
কতোটা আর মাপবে তারা নিভু নিভু দিনের ওজন
শাসনের নামে সমতায় সুশাসন ভালোবেসে?
তবু স্বপ্ন বুকে উঠে শিস মানুষ দাঁড়াবে সমতায়—
কাতারে কাতারে কান্না ভুলে এক সফল সম্ভাবনায়।
