সুরছন্দ
উদাস তপ্তে মরু বালি
হাসির ভাঁজে, জোড়াতালি।
চাওয়ার মাঝে,
নিরাশার ছায়া
সোহাগ নিশি নিলয় কোণে, প্রণয়ী মায়া।
শ্যামল ঘাসে শিশির ভেজা, ক্লান্ত দূর্বাদল
তপ্ত রৌদে পোড়া, শান্ত বক্ষতল।
নীরব বসন্ত থমকে কাঁদে, পলাশের শাখে
ধুলি উড়া দিঘল পথবাঁকে।
একাকি পথিক হারায়ে সুর, ভাঙা বেণুবীণে
ঝরে পড়া ঘুঙুর ধ্বনি, শালিকের পদচিনে।
ছন্দহারা বীণার তারে,
হাওয়ায় হারা, মন কাড়ে।
বেলা শেষে বাজে সুর, দূর পাড়ে
দূর আকাশের দিগন্ত ধারে।
বেণুবীণা মর্মে বাজে,
খিলিখিলি বায়ে, ধূসরিত সাঁঝে।
কলার পাতায় ছায়াঘেরা পথ
ভাবনা উৎসুকে, ভাসিয়ে মিলন রথ।
আবছা নিলয় কোণে,
শেষের রবি, অস্ত প্রহর গোনে।
একবুক ঢেউ দীঘি মেখে
রক্ত আভায়, আলপনা যায় এঁকে।
বাজে নূপুর মরালীর পায়
পাড়ে বসে মরাল, বিরহ গান গায়।
