পাশবদ্ধ জীব
মুখভার করা সকাল ধীরে ধীরে আড়মোড়া ভেঙে জেগে ওঠে,
তার তাড়া নেই তাড়া শুধু মানুষের,
সময়ের আগে সে ছুটতে চায়...
বোকা জানেও না যে সময়ের আগে কেউ নয়।
পথে-ঘাটে হাটে-বাজারে চিৎকারের সিম্ফোনি,
নানান কাজের অফিসের তাড়া,
সকালের বারোটা বাজিয়ে ছাড়ে বেকুব কিসিমের মানুষ,
শুধু তাড়া নেই সময়ের।
এরই মধ্যে সূর্য ওঠে, চাঁদ সেই কখন মুখ লুকিয়েছে শুভ্র মেঘের আড়ালে,
সকালে এক পশলা বৃষ্টি হয়ে গেছে,
গাছগুলো মাথার পাতার জল ঝেড়ে ফেলতে ব্যস্ত,
গ্রামের ড্রেনগুলো সব আস্তাকুঁড়ে পর্যবসিত,
স্নান সেরে এসেও ড্রেনের জলকে পায়ে মাড়িয়ে এলেও শুচিতা কি রক্ষা হয় না?
মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে যোগ-প্রাণায়াম,
মনের অশুচি দূর হয় কীসে ?
এখনও পর্যন্ত মানুষ ছয়রিপুর করায়ত্ত,
তারাই ছুটিয়ে মারছে অনবরত...
চরৈবেতি... চরৈবেতি...
বোধিবৃক্ষের ফলে সেই কবে খেয়েছিল আদমেরা,
আজকেও হলো না তার পরিত্রাণ!