শান্তির দূত
আমার দু'চোখ সারাক্ষণ খোঁজে তোমাকে,মোমের আলো বা হ্যাজাক না হলেও মনের আলোয় খোঁজে অহর্নিশি ।
তুমি কেমন আছো, কোথায় আছো আছো কতো সুখে ।এই অন্তহীন খোঁজার মাঝে ঝিলিক মেরে উঠে শিরায় শিরায় তুমি যে গেঁথে আছো হৃদয় বীণার তার এ ।
সে বীণা অহর্নিশি গুঞ্জন করে অন্তরাত্মায় তুমি আমি আমি তুমি একটা সুখের স্বপ্নীল নীড় ।
আমার আঙ্গুল গুলো অহনিশি আঁকে প্রেম কলি
অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে স্রোতস্বিনী এসে বসে নানা রঙে নানা রূপে আমি তাতে মিশাই ভালবাসার ঝিলমিল ।
যে বিরহ বিচ্ছেদ শোক আমাকে দগ্ধ করতো সেখানে বসাই শান্তির বাতায়ন।সেই ফুল্ল কুসুমিত মনোবৃত্ত থেকে এনে বসাই একটি পদ্ম বাগান , রাজহাঁস করবে খেলা , ঝাঁক ঝাঁক ভ্রমর নেচে নেচে চূর্ণ বিচূর্ণ করবে মানসিক অশান্তি আর সে ফাঁকে আমি লিখে ফেলবো প্রেম কাব্যের কলি ,
তুমি চেঁচিয়ে বলবে রসো আমি এখানে বসাবো স্বপ্নের প্রেম ফাঁদ ,
আমি আর তুমি তখন বদ্ধ কপাট খুলে গুনতে ছুটবো ঝোঁপের জোনাকি, ঝিঁঝিঁ ঝিঁঝিঁ ঝাঁঝা ঝাঁঝা , ঠিক তখনই কাঙ্ক্ষিত চাঁদের আলো আছড়ে পড়বে দুজনের অবয়বে খিলখিলিয়ে হেসে উঠবে আমার কোলের চাঁদ ।
ভাবনার অক্টোপাস ছেড়ে আমরা দুজনে হয়ে যাবো মস্ত বিশাল আকাশ ।
ছুটে যাবো স্বচ্ছ জীবনবোধ এ,, অনেকেই হয়তো ভাববেন দৈব শক্তি বাঁধা পড়েছি তার ই নিয়মে ।
না বন্ধু যে যাই বলুক বা ভাবুক আমরা কান দেবো না ,ঐ নিয়মের বেড়ি ভেঙ্গে আমরা হবো শান্তির দূত ।