Nov 16, 2021

শৈলেন দাস.

মনের মানুষ

চাতলা সিঙ্গারি ঠিলা...

গল্প লেখার চলিত নিয়ম নীতি আমার জানা নেই।তবুও গল্প লিখতে আমার বিষণ ভালো লাগে।বছর দুই এক আগের আমার একটি স্কুল জীবনের গল্প তুলে ধরছি।

তানিশা নিজেকে রানী লক্ষীবাই এই ভাবত কি না জানি না।সুন্দরী বলে তার নিজের প্রতি নিজের প্রশংসা ও কম ছিল না।সে তার  লঘু অন্তরের প্রেম,ভালোবাসা, মানুষের নিকটে প্রকাশ করিত না।তার প্রেম তার নিজের ভিতর এই রাখত অহংকারী করে।আমার যতটুকু জানা পড়া লেখাতে সে এত ভালো  না থাকলেও গান বাজনাতে পারদর্শী ছিল।তার গানের স্টেজের অভিনয় দেখলে মনে হতো সে এই পৃথিবীর সর্ব শ্রেষ্ঠ গায়ক,জগতে তার থেকে আরও ভালো গায়ক আছে বলে সে বিশ্বাস এই করতো না।

তার বান্দবি প্রিয়া থাকে মাঝে মাঝেই বলতো তার এমন অহংকার দূর করার জন্য কিন্তু সে প্রিয়ার কথায় মত দিত না।কিন্তু আমি মনে মনে স্থির করিলাম এমন মেয়েকেই আমি আমার মন প্রাণ দিব।কিন্তু আবার ভাবতে লাগলাম মন দেওয়া বা নেওয়াতে দুই জনের সমান চাওয়ার প্রয়োজন,সে যদি আমাকে না চায়।কথাটা মনের ভিতর এই চাপা দিয়ে রাখলাম।আর বললাম না।

কয় দিন পরে যখন স্কুলে গেলাম,আমার দিকে তার চাওয়া পাওয়া দেখে ভাবলাম আমার প্রতি তার ভালোবাসা বাড়ছে।আবার ভাবলাম এবার থাকে কথাটি বলবো।এবারও বলা হলো না। দিন রাত থেকে যেন স্বপ্নের মধ্যে দেখতাম।কুকিলের গানে মৌ পোকার চিৎকারে তার বিরহ ব্যথা অনুভব করিতাম।।