Nov 17, 2021

প্রীতম চক্রবর্তী

অগ্নিদগ্ধা

ঝলসানো অস্তিত্বহীন মুখাবয়ব,

অক্ষিকোটর থেকে নির্গত চোখগুলো

ভয়ানক রূপ নিয়েছে।

কতোটা নির্মম মৃত্যু ছিল মেয়েটির!

তার পিতা আজ কাঁদেনি।

শেষ অশ্রুবিন্দুটিও শুকিয়ে গেছে চোখে।

যে হাত ফুলের মতো মেয়েটিকে বড়ো করেছে,

সে হাত মেয়েটিকে নরপিশাচের কাছে দেবে,

ভাবতে পারেনি সে।

ঠিক যেন পাঠাকে বড়ো করে কসাইখানায় দেবার মতো।

সংসার বোঝার আগেই ষোড়শবর্ষিয়া মেয়েটি,

হার মেনেছে নির্মম মৃত্যুর কাছে।

তোয়াক্কা করেনি সেদিন তার পিতা,

নাবালিকা মেয়েটির ইচ্ছের।

উচ্চশিক্ষার পরিবর্তে বিয়ে দিয়েছিল।

আজ সন্তান ধারণের অক্ষমতার অপরাধ

মৃত্যু পুরস্কার দিয়েছে তাকে।

হ্যাঁ সে একা নয়!

প্রতিদিন শহীদ হচ্ছে সহস্র অগ্নিদগ্ধা।

আমার মতে ওরাও শহীদ।

কিন্তু কেউ মানেনা.......

কেউ ওদের শোনে না.......