বীর ক্যাপ্টেন
হে প্রিয় বীর!
মৃত্যুর কাছেও কোনও দিন হয়নি তোমার নত শির।
তুমি যে বীর ---------
সোনার বাংলার সকল হৃদয়ে শ্রদ্ধেয় তুমি বীর।
ভাষা আন্দোলনে শহীদ হয়ে বাঁচিয়েছিল যারা বাংলা ভাষার সম্মান,
রাজাকারদের গুলিতে বরকত রফিক জব্বর সালাম দিয়েছিল প্রাণ।
পলাশ রাঙ্গা শিমুল ফুল শহীদের রক্তে হয়েছিল আরও লাল,
রক্তে ভেসেছিল বাংলাদেশের যত নদী নালা খাল।
তারপর কেটে গেল অনেকগুলো বছর,
চলতে থাকলো চক্রান্ত সোনার বাংলা কে ধ্বংস করার,
শুরু হলো নতুন করে রাজাকারদের নির্মম অত্যাচার।
শুরু হলো লড়াই সংগ্রাম আবার।
শোনা গেল তোমার সেই বজ্র কঠিন কন্ঠস্বর -------
"তোমাদের যার কাছে যা কিছু আছে তাই লইয়া বাইরই পরো" -------
এই একটা কন্ঠ, হ্যাঁ এই একটা কন্ঠ,
এই একটা কন্ঠ গর্জে উঠলো, গোটা জাতি দুলে উঠলো,
একটা কন্ঠ সোচ্চার হলো, বাংলাদেশে ফুল ফুটলো।
ফুল ফোটানোর লড়াই আন্দোলনে ঝড়ে পড়লো ত্রিশ লক্ষ প্রাণ,
গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়লো ক্যাপ্টেন বঙ্গবন্ধুর ঘ্রাণ।
তুমি নেই আজ আছে বাংলা সোনার দেশের মাটি,
যোগ্য কন্যার হাতে পড়ে তা হয়েছে আরও খাঁটি।
তুমি বীর তুমি ক্যাপ্টেন তুমিই জাতির পিতা,
তোমার স্মরণে প্রতিটা বছর ভরবে কবিতার খাতা।
চেতনায় আছে মুক্তি যুদ্ধ, বেদনায় শহীদ মৃত্যু,
তোমার স্বপ্ন হবেই সফল, খতম হবেই শত্রু।।
সুবীর কুমার দে (শব্দ শ্রমিক)
কলকাতা, ভারত।