পাপ
[শ্রদ্ধেয়া অর্পিতা আচার্যের পরকীয়া কবিতা পাঠ করে]
দেখা হয় শেষমেশ অরণ্য সন্ধানে।
ঠোঁটে ঠোঁট রেখে আলগা করা রাতের খোলস
ছড়িয়ে ছিটিয়ে রুদ্ধ করেছে আমাদের বন্য পথ।
অথচ সহজেই চলে যাওয়া যেত হিমালয়ের বক্ষদেশ
আমার ব্রহ্মপুত্রের পথে।
বুঝি সন্ন্যাসকাল আমাদের নাই।
তোমাকে ছুঁয়ে যাব ভেবে ছুটে গেছি দিশাহীন আঁধারে
ক্ষত বিক্ষত শরীরে খুঁজেছি জল ফড়িং
রক্ত ঝড়া প্রথম রাতে কেঁপে উঠেছিল ফড়ফড়ানি ফড়িং জীবন।
কালো মেঘ খানিকটা উন্মাদ হলে বেআব্রু চাঁদ।
লজ্জা বৃষ্টি হয়ে ঝরে দূর পাহাড়ে।
আমি কেঁপে উঠি আসন্ন দহনের পূর্বাভাসে।
"চলো ঘরে ফিরে যাই-"
তবুও যাইনি ফিরে নিজ ঘরে। তোমাকে খুঁজেছি আরও তীব্র।
ডুবেছি আরও গভীরে। আরও আঁধারে।
তারপর, মনে পড়েনা আর কিছু।
নিশুতির গুঞ্জনে মিশে আছে আমাদের ব্রাত্য সংলাপ
শুধু মনে পড়ে কবির দুটি লাইন-
"ভালোবেসে পাপ করি -
পাপ করে ভালবাসি
অথচ ভালোবাসার সঙ্গে মোহ ও পাপের কী তীব্র সহগতি।"