মধুময় আবির্ভাব
উদীয়মান সূর্যের নিচে নৃত্যরত সুপারিগাছ
প্রতাপশালী সূর্য তখন শুধুই লাল গোলা-
শিশু বৃদ্ধ সকলে তোমার রূপ লাবণ্য দেখতে পারে-
চোখ ঝলসে যায় না।
তোমার নব্য আবির্ভাবে বসুন্ধরাও চোখ মেলেছে
মহানগরীর ঘুম ভেঙেছে, রাজপথে হালকা
যাতায়াত শুরু হয়েছে।
কোন কোন বাড়ির বারান্দার বিজলিবাতি
তখনও নেভানো হয়নি।
গাছাগাছালিতে পাখির কলকাকলি-
মৃদুমন্দ হাওয়া-নববসন্তের আ গমন বার্তা।
ও-আরো একটি খুশির খবর-ছাদের
ছোট আম্রপালিতে মুকুল উকি দিয়েছে-
সঙ্গে মৌমাছির ভিড়।
টবের রুগ্ন গাছগুলিতেও সবুজ কচিপাতা
হাসছে- লাবণ্যে ভরা শৈশব।
নব প্রভাতের কান্ডারি তুমি, নব বসন্তের
কান্ডারি তুমি।তাই তো জগৎ এত মধুময়।
তোমার অভাবে সব ঘুমিয়ে থাকে-
মনমরা হয়ে লুকিয়ে থাকে।
তোমার আগমনে কোকিলের কুহুতান।
পলাশ শিমুল কৃষ্ণচূড়া রঙের মাধুরী
ছড়িয়ে নাচে দখিন হাওয়ার তালে তালে
আর জগৎ তাকিয়ে দেখে অপার বিস্ময়ে।