স্বপ্নে দেখা ভূত
ভয় বিহ্বল মন আমার
এক ভয়ানক বাংলা,
দমকা হাওয়ায় নিভল দীপ
আমি একেলা।
ছিল ঘরে ঝাড়লন্টন
সেও নিভে গেলো ,
মনের কোনে দ্বিগুন বেগে
আঁধার নেমে এলো।
চারদিকে ঠুং ঠাং
কিম্ভুত শব্দ ,
লক লক ঠক ঠক
ভূত ভূ --ত গন্ধ।
সাহস যেটুকু ছিল
হাওয়া হয়ে গেল ,
কোথা থেকে এতো ভয়
প্রাণেতে পশিল।
নিঝুম রাত শুনশান
নিস্তব্ধ চারপাশ ,
কেবল বুকের মাঝে
ধড়াস ধড়াস।
হঠাৎ দেখি জানালা দিয়ে
লম্বা দুটি হাত ,
চোখ বুজে থাকি শুয়ে
ভয়ে কুপোকাত।
তারপর সেই হাত দুটি
ধরলো চেপে গলা ,
ভয়ে আমি করবো কী
হলেম দিশেহারা ।
কি যে করি এবার আমি
কিছুই জানিনা ,
নিদ্রাহীন দুটি চোখ
অবিরত কান্না।
সূর্যিমামা দাও হানা
আর প্রাণে সয় না ,
ভোরের আলো দেখার আশে
রাত কাটে না
মেঘে ঢাকা গগনখানি
চমকিত বিদ্যুৎ ,
চাঁদের দেখা নেই
হানা দেয় ভূত ।
হঠাৎ মায়ের গলা শুনি
আমার নামটি ধরে ,
স্কুলে যাবি ওঠ সোনা
দেরি করিস কিরে !
চমকে ওঠে দেখি আমি
বাবার কাছে শুয়ে ,
স্বপ্নে দেখা ভয় যত
উবে গেলো নিমেষে ।
সবকিছু ঠিকঠাক
সেই আগেকার ,
স্বপ্নে দেখা ভূতটি হলো
কেবল মনের বিকার ।