নিষাদ নন্দিনী
মানুষ নদীর কাছে ফিরে যায় একা,
সব অবসাদ তার পায়ের কাছে রেখেই
হেসে ওঠে পুনরায়।
ঊনকোটির ভাস্কর্য দেখায় সে কাকে?
বেটলিং শিবের উচ্চতা জানিনা বলেই
নীরমহলের গভীরতা মাপতে শিখিনি।
জলপ্রপাতের কথা বলে রাইমা ও সাইমার
কাছে নিয়ে যায় তবু অন্য অভিসারে।
জরাজীর্ণ হাওড়ার কথাও নির্দ্বিধায় বলে ওঠে।
সব ব্যথা কাটিয়ে সে আলোকিত প্রভাত এখন।আমি সীমান্তের কথা বলি, স্বপ্নের কথাও।
দৃশ্যান্তের শেষে মায়া জড়িয়ে থাকে মোহিত চোখে,
বিশ্বাসে ভিক্ষাপাত্রে ভরেছি।
সব ভাণ্ড রেখে একদিন ফিরে যাবো বাড়ি।
কখনো সমুদ্র দেখাবে সে।
ডুবে যাবার আগে সাঁতার শিখে নিতে হয়,
এ কথা বলেছে সঙ্গোপনে, কোনো ইতিহাস পূর্ব অন্ধকারে।
খেয়ালে বন্যা এনেছে, নদীধর্ম এমনই তো হয়,
মুগ্ধ চরাচর রূপে বেখেয়ালে ডুবে যাই।
বুকে জমে থাকে কিছু বালি,
মরাকাঠ,জলে ভাসে অর্জিত-তর্পণ!
আমাকে পললভূমির কথা বলে অভিসারে।
আমি বলি,জেনেছো কি নিষাদ নন্দিনী!কাপালিক-জীবনে একবারই তো স্নান হয় এমন!