মেয়ে বেলা
সবুজের সরসতা চিরে, ঘোলাটে কুয়াশার প্রচ্ছদ ফুঁড়ে
প্রথম আলোর শরীরে বর্বরতা কেটেছিল দাগ,
কুঁড়ি থেকে ফুলের ফুটে ওঠা দেখা হয়ে ওঠেনি তখনও,
বোঝা হয়ে ওঠেনি প্রজাপতি-ভ্রমরের নুপুর-নিক্কণে তৃপ্ত পরাগ মিলন রহস্য।
তারপর কখন ধীরে ধীরে, কালের কালির আঁচড় মনে ও শরীরে ।
দর্পণের সামনে দাঁড় করাই নিজেকে, জেগে ওঠে নদীচর বানভাসি থেকে,
মনেতে দুপুুর গড়ায়, নারকোল পাতারা দোল খায়,
দোল খায় আবেগে বিভোর,
হিপনোটাইজড্ এক উত্তীর্ণ কৈশোর।
প্রখর রৌদ্রেও মনে মনোরম জ্যোৎস্না, জ্যোৎস্না অগোছালো,
দিনরাত মন-মাথা সব এলোমেলো।
সময় শরীরে সাঁঝের গভীরে মন ভাঙে কান্নায়,
মিষ্টি মেয়েবেলা চোখের জলেতে মুছে মুছে যায়,
আর, তুচ্ছ মেয়ে জন্মটার মৃতদেহ পড়ে থাকে চরম অবহেলায়, জন্মাবধি চেনা সেই ভুবনডাঙার মাঠটায়।