শীত শেষে অপেক্ষার বসন্ত
বলিরেখা পড়া খসখসে প্রকৃতির,
আর কী রংয়ের প্রত্যাশা চৈত্র থেকে ,
ব্যর্থতার, পাঞ্জাবি পকেটে ভাজ করা,
শতবর্ষের শীতকাল ।
মাতাল দক্ষিণা হাওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা,
খানিক আর্দ্রতা দেওয়ার।
কিন্তু মুখমণ্ডলে যে জমে আছে ,
দিগন্ত মেরুর অনন্ত বরফ
সেই তাপমান কেবলই বিয়োগে।
ধার করা জ্যোৎস্না তো
সৌরভ ও গোলাপের জন্য হাহাকার করবেই।
বসন্তের গুন গুন করার চৈত্রসন্ধ্যাও
মধুর দুপুর ডাকছে ,
কিন্তু কঠিন শীত কি পেরোতে পারবে
হামাগুড়ি দিয়ে ।
মন সাড়া দে হাত বাড়াতে ,
তবুও ভীত শীত সন্ধ্যা যদি
হয় চিরঅস্তমিত।
হয়তো বা বসন্তের সকালে সদ্য ফোটা
রজনীগন্ধা ও গন্ধরাজের গন্ধে
পুনঃ জাগবে ঝিমিয়ে পড়া রাত ।
বরফের সব আস্তরণ বিগলিত
করবে বসন্তের মধুর কোকিল ডাকে
কী জানি কোন খোলা চিঠি নিয়ে
আসছে বসন্ত ,
এখন আসার দীপ নিয়ে দুয়ারে বসে আছি
তোমার অপেক্ষায় বসন্ত।