কর্তব্যকে প্রথম চিনেছি
নতুন আবেগ এলে আমি রোজ সারি সারি
তালগাছঘেরা পথ চেয়ে থাকি
অর্ধাস্ত সূর্যের আলো মেখে এই পথে পাড়ি দেয় সে
মনোহর ধূপছায়া শাড়ি
কপালের এলোমেলো চূর্ণ চুলে এখনও গোধূলি
চেতনায় স্পন্দন ওঠে কলস ভরা জলে
কর্তব্যের কথা ভাবি
দেখতে দেখতে সন্ধ্যা নামে
পাখিদের গানে শুরু হয় গ্রাম্য ছায়াছবি
উঠোনে মাধবী কাঞ্চনের ঘ্রাণ পাই
কর্তব্য লন্ঠন জ্বেলে দিলে
বই খুলি
আমার আরতি শুরু হয়:
ফাগুনে আগুন তুমি, জ্যোৎস্নার খই
আমার বাঁচার স্বর্গে পৌঁছাবার মই…
শব্দগুলি খেলে বেড়ায়
কর্তব্যকে দেখি: পাতলা গড়ন, নাকছাবি দোলে
কথা নেই ওর, তবুও নীরবকথা চোখে চোখে বলে
ঘুমের ভিতর রোজ কে ডাকে এত?
সারি সারি তালগাছ, আমি নায়কের মতো
আবার ঘুম ভেঙে যায়, দরজা খুলি
বাতাসের কাছে ঘ্রাণ পাই ফুটেছে তার কলি
ঝকঝকে কলসটির মতো সেও হয়ে গেছে
সমস্ত রাত্তির জুড়ে তার চিকন লুকিয়ে আছে!