শুনছিস কি মা
শুনছিস কি মা ? আজ এই বাংলার দুর্দিনে ,
কি বা বলবো রে মা দুঃখের কথা আর কি ইবা লিখবো ।
বলতে গেলে বাকরুদ্দ হয়ে যাচ্ছি বারংবার ,
আর,লিখতে গেলে যে থমকে যাচ্ছি বারংবার ।
এসেছিলি তো মা মর্ত ধামে ছেলে মেয়ে নিয়ে,
ভেবেছিলি তিন চারটে দিন থাকবি বড় আনন্দ উল্লাসে ।
কিন্তু মানুষ রুপি কিছু অশিক্ষিত নর পিশাচ থাকতে দিলো কই?
অষ্টমীতেই হলো যে মা তোর বিসর্জন ।
ক্ষমা করিস মা ,
পারলো না যে তোর সন্তানরা তোকে রক্ষা করতে ।
তবুও শুনতে পাচ্ছিস কি মা ?তোর সন্তানদের সেই আর্তক্রন্দন?
তোর সন্তানরা তো ভেবেছিল ঠিক ই তোকে বিদায় বেলায় রাঙাবে যে মা সিঁদুর খেলায় ।
কিন্তু এর আগেই সেই সিঁদুর যে রক্তের খেলায় মেতে উঠবে, কে ইবা জানে রে মা বল !
শুনতে পাচ্ছিস কি মা,
আমরা তো তোর উল্লাসে ব্রত হতে চেয়েছিলাম রে মা কিন্তু ব্রত হতে দিলো কই ?
তুই তো মা রক্তাক্ত দেহে কষ্ট পেয়ে চলে গেছিস ঠিক ই কৈলাসে
কিন্তু তুই তো মা সব ই জানিস ,
তোর ধরা ধামের বাংলার সন্তান যে এখনো প্লাবিত হচ্ছে সেই রক্তের দাঙ্গা সাগরে ।
শুনতে কি পাচ্ছিস মা তোর সন্তানদের সেই গহন হাহাকার ?
দেখতে পাচ্ছিস কি মা তাদের অশ্রু ধারা?
আজ তোর সন্তান যে বড় অসহায়,মানুষ রুপি কিছু নর পিশাচ দের অত্যাচারে ।
কিন্তু তুই তো মা চলে গেছিস ,
তবে আবারও যে তোকে আসতে হবেই এই বাংলার ধরা তে তোর সন্তানদের রক্ষার্থে ।
তবে হে আর উমা রূপে আসিস না মা
এবার আসলে ছিন্ন মস্তা রূপে আসিস মা
তোর সন্তানরা অপেক্ষায় আছে যে ওই দুয়ার পানে তে চেয়ে
আসবে যে মা কালের দমনে রন চন্ডিকা রূপে নিজ সন্তানদের রক্ষার্থে ।