তোমার দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে,
ভাগ করি উৎসবের মেজাজ।
একে একে পেরিয়ে যায় মহালয়া বোধন দশমী।
তোমাকে পাশে নিয়ে বসে থাকি দুয়ারে।
দলে দলে লোক যায়, গন্ধ বিলায় ।
একদল মিলে যেতেই অন্যদলের কলরব এগিয়ে আসে।
উপভোগ করি দুজনে, হেসে উঠে পথবাতি।
খিলখিল বেশভূষায় পূজো পরিক্রমার খবর ।
রাস্তায় নূপুর বাজে, কাপড়ের ঝিলিক ছুটে, চিকচিক করে উঠে হার, কুন্তল, ওড়না।
কেউবা খুড়িয়ে, লোক বুঝে লজ্জা লুকায়।
ফিরে যাই অতীতে,
হাতরে মিলাই নিজেকে, বেমানান দুপুরে সাজ দৌড়।
পায়ে ফোসকা পড়তেই, নতুন জুতো উঠে আসে হাতে।
চোখের গগলসটা পকেটে লুকায়।
যেখানে প্রেম আর ঘুগনির নগদ সুরক্ষিত।
কত শরৎ আসে যায়, সবকি আর ধরা যায়!
একদিন ধরলে তুমি হাত, অজ্ঞাত ভবিষ্যৎ,,,,
সুদিনে দুর্দিনে চার হাতে সুরে জাগি আর সুরে হারাই।
তবু,
দৈনালীর প্রকাশ ছিল বলে, নবমী হারিয়ে যায়নি।
ভালবাসার মুখগুলোকে, দেখেছি খুব কাছে থেকে।
ঘিরে ধরেছিল নবীন প্রবীণ অচেনা মরমী সুধা।
জেগে উঠেছিল সুর-স্বর, কামরাঙ্গা সাজ ।
বোধে গম্য হয় শ্রেষ্ঠ উৎসবের কিয়ৎ তাৎপর্য।