উৎসব
ইচ্ছেগুলো উড়িয়ে দিই হাওয়ায়
পেঁজা তুলোর মতো উড়ে যায় সারি সারি মেঘ
স্বপ্ন নেই
মায়া নেই
মন ময়ূরীর শাদা পালকে ভাসে সোহাগ মাখা ক্লান্ত দুপুর।।
দুঃখগুলো হাওয়া হয়ে উড়ে যায়
দুঃখের ভেলায় ভাসে প্রতিদিন নির্বেদ অবহেলা
আমরা অনাথ
খেলাঘরে স্বপ্ন আঁকি
ঘুমন্ত পৃথিবীর শরীর জুড়ে দাঁড়িয়ে থাকে বেআব্রু গন্ধের সহবাস ।।
তবু আবির রাঙা রোদে হাত বাড়াই
জেগে ওঠে আমার আঠারোর সোনা রোদ বিদিশা
তার খোঁপায় নগ্ন হাওয়া
ঘর্মাক্ত সুবাস
আমি আকাশের ছায়া হয়ে হারিয়ে যাই শৈশবের পুরোনো কলতলায় ।।
ফিরে আসি দুঃস্বপ্নের নষ্টনীড়ে
পোয়াতি ধানক্ষেতে কৈশোরের শিশির মাখা কথকতা
ছায়া ছায়া পাথর
পাথর গলানো মরুতৃষা
আমরা কেবল গার্ড। সারাদিন পাথর ভাঙি দুফোঁটা রক্তের বিনিময়ে ।।
ঝড় আসছে
ভাঙছে আকাশ। ভাঙছে পৃথিবী
গা খুলে জলে নামি। ডুবুরি হই। তুলে আনি দুঃখ
হাতের তালুতে চাপ চাপ দুঃখ প্রতিদিন জন্মদিনের ফুল হয়ে ফোটে ।।