Oct 23, 2021

মৌসুমী মণ্ডল দেবনাথ

পাখিবিদ্যা

কবির ইচ্ছে হয় কবিতাদের উড়িয়ে দিতে আকাশে
বাতাসের মতো পাখি হয়ে উড়ুক তারা ঘুরে ঘুরে। 
তিনি যখন কোনও অনুষ্ঠানে জিজ্ঞেস করেন 
তোমরা কি পাখিদের উড়তে দেখেছো কখনও? 
আমাদের সারিবদ্ধ দাঁতেরা বিদ্রুপ- মিছিল করে। 
কবি যখন রাষ্ট্রবিরোধী  কথা লেখেন কবিতার শরীরে, 
নির্বাসিত গরাদের অন্ধকারে  নিঃশব্দে বসে
চিতাবাঘের মতো জ্বলে ওঠে তাঁর চোখের আগুন ...
গলার নীল শিরা ফুলিয়ে চিৎকার করেন নন্দন চত্বরে 
কবিতা একটি ভীষণ চেনাজানা পাখির সহজ উড়ান।
পৃথিবীর সমস্ত শান্তিকামী ভোরের সঙ্গে দেখা হয় তাদের...
আমরা ভীষণ ভীড়ের পথেও কেউবা কবিকে চিনে নিই...
যদিও মানুষেরা জানে না শরীরেরই অব্যক্ত নাম মৃত্তিকা, 
মাটির মতোই শরীর খুঁড়লেও হুশহুশ রঙিন জল বেরোয়...
পাখিরা এইসব বিদ্যা-জলে স্নান করতে জানে, 
ভেজা পালকে ঠোঁটে সোনার রঙ মাখে...
কবি কাঁদতে কাঁদতে লিখতে থাকেন মোবাইল স্ক্রিনে...
মানুষ এসব নির্ঝর স্নানজল নিঃসৃত রঙের কথা জানলো না, 
হায়,তাই মানুষ কখনও পাখি হতেও পারলো না ...