অগ্নিপরীক্ষা
ঘূর্ণায়মান সময়ের রথ এসে দাঁড়ায় মেঘমুক্ত নির্মল সুনীল আকাশের নীচে। মাথার মুকুট খুলে অগ্নিপরীক্ষা দেবে
এযুগের রামচন্দ্র , সবাই দেখবে প্রশস্ত ললাটে সীতার নাম , তবুও ভালোবাসার অগ্নিপরীক্ষা। সীতা নয় রামচন্দ্র বলবে , হে ধরণী দ্বিধা হও ... জীবনতরীর ভারসাম্যহীন খেলায় ভাগ্যচক্র প্রমাণ করে , সবকিছু ই আপেক্ষিক নয়।
স্বেচ্ছা নির্বাসনে বিষণ্ণতা কেই আমন্ত্রণ জানায় এযুগের সতী সীতা, তার প্রতিজ্ঞা তার জেহাদ মুক্তি র কলকাকলীতে ভালোবাসার কবুতর কে
দূর দ্বীপে রেখে আসার , সেখানে নীল জলে নীল দিগন্তে রামচন্দ্রের ভালোবাসার আবাহন এড়িয়ে ব্যাস্ত থাকতে চায় সে , এ যুগের রামের ধনুকে আঁকা বিরহ বেদনার স্বগত প্রলাপ।
সীতা ব্যাকুলতা বোঝেনা , ভালোবাসার মানদন্ডে অগ্নপরীক্ষা বোঝে , ত্যাগের প্রতীকী মন্ত্রে রামকে প্রতি পলে অনুভব করাবে নিঃসীম শূণ্যতা। যা একদিন সে পেয়েছে , আজ অশোক কাননে গভীর নিস্তবব্ধতা ছেয়ে আছে , আজ যে ভালোবাসার অগ্নিপরীক্ষা।