ফিরে আয়
রোয়াকে আলো রেখে
দুয়ারে পিঠ ঠেকে,
চোখ বিছিয়েছিলাম পথে।
তুই ডাকবি বলে,
অভয়ে বাঁধবো বলে,
রইবি দীপ্ত প্রাণোচ্ছ্বল রথে।
বসি চৌকাঠ 'পরে,
হাটুদ্বয় মুড়ে,
দেয়াল আদরে টানে শির।
দোলে পরদা মৃদুবায়,
ক্লান্ত নয়ন জোড়ায়,
বুঝিনি কখন হলোরে ভোর।
তুই ফিরেছিস,
তোলে আলো ধরেছিস,
বুঝি আর ভয় নাই!
আলোময় চারিধার,
নিভেছে নয়ন আমার!
একবার ডাক-না বাবাই।
মুঠোফোন সুধা-গরল,
বয়ঃসন্ধি তুই সরল,
গা ভাসাস নি জানিরে জানি!
গড্ডরপাল বা'হে,
ভ্রমে টানিল প্রবাহে,
দিলি তুই ঝাঁপ, কদাচার মানি।
নিদর্শন দিয়ে একা,
বাঁচালি লক্ষ সখা,
সকাশে ঐ দিনপঞ্জি লিখন।
জেগে উঠে রাজা প্রজা,
চেতনায় বাঁক তাজা,
পথ খুলে ঐ বিবেক কথন।
আরও কত মিছে নেশা,
অবোধেরা করে পেশা
পেশাদারি ডুবে কই! মজুতে।
নিজের আখের ঘুচায়,
সমাজের কিবা দায়,
অপত্য বাড়ে তার, দুধ ও ভাতে।
শুন্ ঐ পেশাদারি
মনে রাখিস হায়!খানি,
যার গেলো, সেই তো বুঝে।
হায়!দাতা করে গোঁসা
মারে যদি তোর পেশা
জিতবে কি তুই, তখন যুঝে ?