প্রত্নতত্ত্ব
এই পৃথিবীতে অনেক সভ্যতার সমাধি ঘটেছে
বহু যুগ পূর্বে হয়তো বা অগ্নুৎ্পাতে অথবা ভুমিকম্পে
কিম্বা উল্কাপাতে নতুবা চিরতুষারে ঢাকা পড়ে ?
অথচ এখনো মানুষ শিক্ষা নেয়নি আগের থেকে
সেই একই ভুল করে চলেছে বারংবার অন্তহীনভাবে?
মানুষ হতে চেয়েছে এ গ্রহের সর্বসুখী যন্ত্রমানব?
সভ্যতার কালো ধোঁয়া যেদিন সম্পূর্ন গ্রাস করবে
এই সুনীল আকাশকে সে দিন আর সূর্য রশ্মি
আকাশ ভেদ করে পৃথিবীতে আসবে না!
কোনো গঠের রাখাল আর চরাবে না ধেনু
পৃথিবীর এই সবুজ প্রান্তরে নীল আকাশের নীচে?
কালাচাঁদ আর বাজাবে না বেণু কদম্বের ডালে
রাধিকা আর আসবে না যমুনায় জলে কলস কাঁখে?
আমাদের এই সভ্যতার উন্নয়নের চাকা
হয়তো চাপা পড়ে যাবে মাটির নীচে!
আবার হয়তো আমরা ফিরে যাবো
সেই কার্বনিফেরাস যুগে বা হিম যুগে
মানুষ নয় অন্য কোনো রুপে হয়তো আবির্ভূত হবো!
তখন আমাদের জীবাশ্ম গুলো
আবিষ্কার করবে অন্য কোনো উন্নত জীব।
আমরা হবো রিসার্চ এর বিষয় ?
আমরা যেভাবে প্রাচীন হরপ্পা-মহেঞ্জোদারো
বা সুমেরীয় সভ্যতা আবিস্কার করেছি।
সেই দিনের মতো একই ভাবে হয়তো আমাদের বর্তমান
সভ্যতাও একদিন ভগ্নস্তূপের নীচে চাপা পড়বে।
তারপর বহু যুগ পরে আবার আবিষ্কৃত হবে
এই সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ রাখাল দাসের মতো
কোনো এক বিখ্যাত প্রত্নতাত্ত্বিকের হাতে ?
আর এক একটা ভুল খুঁজে বার করবে
আমাদের সমাজ জীবনের, নগর পরিকল্পনার?
এই অতি আধুনিক সভ্যতার ধ্বংসের পর
হয়তো শুরু হবে এক নতুন যুগের।
আবার সূর্য্য উদিত হবে পূর্ব কোণে
নব আশার আলোয় অঙ্কুরিত বীজ
স্বাগত জানাবে রক্তিম সূর্য্যকে।