সুতরাং তুমি বাঁচো
যদি এক্ষুনি সূর্য ডোবে
নেমে আসে আলোখেকো অন্ধকার
তবুও এটাই সত্যি জেনো
ভোরের ডোরবেল বাজাতে বাজাতে
আমাদের জানালায় সলাজ উঁকি দেবে রোদ
সুতরাং তুমি বাঁচো।
বুকের ভেতর অমাবস্যা নিয়েও গেয়ে ওঠো জোছনার গান আর ভেবো না
ঈশ্বর শুধুই মানুষের-
আকাশে উড়ছে যে শঙখচিল
হিরন পয়েন্টে করুণ চেয়ে থাকা ঘাই হরিনী
কাঁটাবনে লোহার খাঁচায় বন্দি ছোট্ট মুনিয়া
ব্যাকুল ডাকতে থাকা পিউকাঁহা
বিলের ধারে ধ্যানমগ্ন কানিবক
সৈকত জুড়ে ফুটে থাকা সাগরলতা
ওদেরও ঈশ্বর আছেন।
ঈশ্বর সকলের
এই বিশ্বাস না নিয়ে তুমি মরো না।
যদি পারো দরোজা খুলে বেড়িয়ে এসো
দেখো কী সুন্দর নির্মল আকাশ
ভাবো, পুরো আকাশটাই একটা ছাদ
পৃথিবীটা একটা ঘর
পুরো ঘরটাই ঈশ্বরের
এখানে ক্যাথলিক প্রোটেস্ট্যান্ট নেই
শিয়া অথবা সুন্নী নেই
শাক্ত কিংবা বৈষ্ণব নেই
এখানে মানুষ এবং প্রাণের কলরব।
এবার তুমি কাঁদো
আর বেঁচে থাক কেবল এই মুহুর্তটির জন্যই
দেখ কী পবিত্র আমাদের চোখের জল-
'সকল অহঙ্কার এবার ঘুচুক চোখের জলে'।