প্রতিবাদ
পাথরের বুকে লিখে রাখা এক ফালি সভ্যতা
গল্প বলে চলে যান্ত্রিক পশুদের দ্বারা আক্রান্ত মনুষ্যবোধের ।
শোষিত অরণ্যের কথকতা,
কংক্রিটের পদলেহনকারী কর্পোরেটের আত্মকথা,
সব কিছুই লেখা থাকে পাথরের গায়ে।
তবুও আজ পশুরাই গল্প লেখে,
লেখে তাদের যুদ্ধজয়ের কাহিনী।
পরাজিতের শরীর থেকে খোবলানো মাংস নিয়ে অধিকার স্থাপনের লড়াই এর সরেশ গল্প বলে চলে তারা।
অজস্র মৃতদেহের উপর দিয়ে তাদের ট্যাঙ্কার চালানোর গল্প উপভোগ করে নিরীহ সাদা ঘুঁটিগুলো।
হ্যাঁ ওরাই গল্প লেখে,
পশুদের গল্পগুলোকে হয়তো কোন জ্যামিতিক নক্সায় ফেলা যায় না।
তবে গণিতের সরল নিয়ম মেনে ফলন্ত গাছগুলোকে ওরা কেটে ফেলে।
তারপর সেখানে নগর বসায়,
নজরদারী করে।
অরণ্য আবারও অরণ্যই হয়ে ওঠে।
আদিমতম পঞ্জিকার হিসাবে লেখা থাকে পশুকৃতিত্বের কাহিনী।
ছাপানো মানচিত্রগুলোর রঙ আবার এক হয়ে যায়।
আবারও একটা লোক দেখানো প্রতিবাদ হয়।
পশুরা চলতে থাকে।
শহরের প্রতিটি বিদ্যালয়ে বই হাতে বসে থাকে শিশু।
ওরাও বই পড়ে,
যার বিষয় হয় পশুদের রূপকথা, তাদের আত্মজাগরণের কাহিনী।
শিক্ষকরা আনন্দ সহযোগে পড়িয়ে যায় বইটা।