আমার লুপ্ত চোখে
প্রজ্ঞাচক্ষু আলতো প্রয়াসে খুঁটে খুঁটে বের করল,
আমার মধ্যে থাকা স্বত্বাস্বত্ব;
যেখানে বিলুপ্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে ভালোবাসে
কিছু দুষ্টুমি, কিছু কৃপণ ইচ্ছে
আরো কিছু একটা...!
তবে তার স্বন পাশের কানেও অপূর্ণ
কিবা শূন্য!
উপলব্ধির মাচায় তাকে আমি ধরে রাখি
বসন্ত কিবা শীতে ভাঙা কন্ঠের খানিকটা নীচে
বাঁ পাশে।
সে অতটা চটপটে নয় বটে....
নিশ্চুপ হয়ে কলজে জড়িয়ে
জানালার পাশে বসে ছিঁড়ে ফেলা পাতা গুনতে থাকে।
তবে 'মাঝে মাঝে তার দেখা পাই'
কুহুমন্দ্রের বেলা ফুড়ালে বলে 'আমি চলে যাই'!
যাইই!
শেষ হয় উলম্বে বাড়তে থাকা তিতিক্ষা
আবার আরম্ভের জন্য,... নিরন্তর।
আবার কাজ শুরু হয় অন্তরের অন্যত্র
শ্রীজাতের লেখায় শেষ হয় চোরাবালির মোহ।
অবসরে যাওয়া এক জন্মের এলো মৃত্য!
সুখবর....
আরেহ্! আসবে আবার!
নদী পেরোলেই আবার নতুন তট দেখবে,
ঘুরে ফিরে... শেষ সকলের বর্তমানের শেষে।
আমিও বলি কয়েক পা সময় এগিয়ে
'একদম জং ধরা মেশিন শক্তপোক্ত হয়ে এলো যে'!
আর বিকেলে আলোয়ান মুড়ে বসে থাকা আমি
কান্ডারি দৃড় রেখে নিভৃতে বলি ঐ অন্তরের দলিলকে
চল আবার ঘেঁটে দেখি...
উইপোকা ছুঁলো না তো!ঘুমিয়ে যাওয়া রাতের বন্ধ কিছু আশা
সাথে থাকা প্রতিলিপি।