কাশ্মীর, পাহাড় চুমে পেখম মেলে
আমি ভালবাসতে শিখেছিলাম প্রজাপতির কাছে,
তাই উড়ে উড়ে ঘুরে ঘুরে
ফিরি বারবার তোমার কাছে।
আমি ভালবাসতে শিখেছিলাম সূর্যোদয়ের বহু পুর্বে
অগণিত তারকাদের কাছে।
তাই সুর্য উঠে আড়াল হয়েও
হারিয়ে যাই না চিরতরে।
আমি ভালবাসতে শিখেছিলাম আপন মনে
সিন্ধু নদের তুমুল বেগে,
জমে জমে হিম হয়েও
ধেয়ে চলি তোমার কাছে।
অবাধ্য নদের পাথর খাঁজে
ভাঁজে ভাঁজে স্রোতের তালে
ব্যাথা পেয়েও অসীম তালে
ভালবাসার নিবিড় তাণে।
আমি ভালবাসতে শিখেছিলাম ডাললেকের জলে,
যেথায় উদাস করা ভোর
পেখম মেলে পাহাড় চুমে।
আমি ভালবাসতে শিখেছিলাম গুলমার্গের
গোলাপ বনে,
যেথায় যত্ন ছাড়াই গোলাপ ফোটে
মুগ্ধ ভোরে শীতল কোণে,
অযত্নই যার যত্ন রত্ন আঁধার।
আমি ভালবাসতে শিখেছিলাম পেহেলগামের
রত্নে খচিত বাইসরনের দূর্বাঘাসে,
যেথায় অসীম নীলিমা পাহাড় চুমে
ঘুম ভাংগায় কোকিলের শিস।
বাতাসের তীব্র বহনে ঘোড়ার চি হি চি হি ডাক
হাক দিয়ে যায়
অদ্ভুত ছন্দে
নতুন বাঁচার গন্ধে
বন্দে তোমার সুর।
আমি সেথা হতেই এসেছিলাম
সেচেছিলাম সুর
বেঁচে আছি সেই সুরেতেই
বেচে সব দুখ।
আমি ভালবাসতে শিখেছিলাম ঘুমরির হুমড়িতে
হোয়াইট ডেভিলসের পথে,
যেথায় ধুলি উড়ে তোমার নামে
আধার করে সব।
ছুটে চলে তীব্রভাবে অসীম রেখার আলোক স্রোতে
জজিলা মজিলার আঁধার ভেদে
উদ্ভাসিত রথ।
বলো এবার ছোট্ট করে
মিষ্টি হেসে দুষ্টু করে,
"বাসি কী ভালো
আপন আলোয়
তোমার দেখানো পথ?"
এভাবেই যেন শেষ হয়
আমার বিজয় রথ।