অধিনায়ক (২)
জানি, তুমি ঈশ্বরকে (প্রকৃতিকে) সব বলোনি!
আমরা যে কৃতঘ্ন-ভীরু-স্বার্থপর, অমানবিক-উদ্ভট-দিকভ্রষ্ট আর অসাম্য, তুমি বলোনি।
আর একটু সময় দাও, আমরা ঠি-ক হয়ে যাবো।
তোমার উপেক্ষিত পরিবার আজ সে দিনগুলি ফিরেচায়---!
অপত্য আর প্রিয়তমার, অনেক কথা ছিল তোমাকে বলার।
অনেক আদর ছিল, চেয়ে নেওয়ার।
কিন্তু সময় ছিলনা তোমার, বৃহদভুক্তি হয়ে।
নিজ পরিবারের আদরকে দিলে হেলায় বলিদান।
না জানি কতদিন,জলেনেমে চান করোনি।
না জানি কতদিন, হাত ধুয়ে খাওয়ার,চকিৎ পাওনি।
তবুও প্রত্যয়ে অটল, নির্বিকার।
শীততাপ বিছানা ছেড়ে, বন-বাদাড়কে করেছিলে বালিশ-
কাবুলি, কাগজঅলার কষ্টরূপ নিয়ে খুঁজেছো মুক্তির পথ-
সয়েছো বুটের ঘা, গারদের কামড়,সহযোগির কষ্টকরুণ চোখের ভাষা।
জানি,
পঁচাত্তর বছর মানে, সাড়ে সাতষট্টি হাজার দিন আমাদের বোধোদয়ে নেহাৎ কম নয়!
আমরা এখন, প্রতিদিন সকালে,
গল্প, কবিতা, শুভেচ্ছা আর উপদেশ বিনিময়ে,
পরস্পরের বোধ জাগিয়ে তুলি।
তুমি আরেকটু সময় দাও, আমরা ঠি-ক হয়ে যাবো।
নেতাজি,
তুমি এক সন্ধানের নাম, অন্তরের জিজ্ঞাসা!
কোথায় লোকালে...? এসো!
তুমি রাজর্ষি, রাজার-নীতি, অন্তরের পাঠশালা।
উৎকর্ষ জীবনের সূত্রগুলি, প্রতি শিশু কন্দরে ছড়িয়ে দাও।
ধরো হাত,স্পর্ধা হোক বিশ্বমানে।
তুমি, শুনতে পাও কি!
নানা বিজ্ঞাপনে ভরে গেছে, দেশাংশ।
ভিত্তি লুকিয়ে, প্রচার সারে, সস্তা প্রচারীরা।
আমরা গিলি, গভীরে যাই না, বুদ্ধিও তেমন নেই।
আগে চাই যাপন,পরে যাচাই।
থেকে থেকে সম্ভ্রম ছেড়ে, নিরুপায় যাচ্ঞা উঠে ।
চার এর সাধ মিঠলেও, চার লাখের অন্তরাত্মা কাঁপে।
সাথে আছে মারি, ঠেলাঠেলি আর উন্নাসিকতা!
দেখো,
রং ঢং ময়ূরপুচ্ছ মাখা, বাছাই কর্তার গা।
আদুরে ডাকে পিছলে পড়ে ক্ষমতার মেধা।
ওদিকে,
অসহায় বিজ্ঞান বাটি চালে, ,
হজম করে, স্বৈর হুকুম, মাতব্বরি শাসন।
ভাবনারা বাঁচায় পিঠ, পরে পুরস্কার।
আদরের চেয়ে, অনাদরে ঘোচায় হাহাকার।
অথচ,
এ দেশাংশ আজ আমার, কালও আমার,
পাঁচ বছর পরও আমাদেরই ,,,,,।
পালক যেই হও,
কঠোরই হবে যদি, সংকীর্ণমনা লুটেরাতে হও,
বেগবান হোক দেশ,দেশের সম্ভাব্য মানুষ সম্পদ !!
অধিনায়ক ধর হাত