স্বপ্নের স্বাধীনতা
স্বপ্নের স্বাধীনতা আজ দুর্বিসহ রূপে ভেসে উঠে,
খোলা জানালার পাশে কেটে যায় কত রাত।
নিশাচর চোখ খুঁজে চলেছে একটু খানি স্বাধীনতা।।
পরিভাষাই বদলে গেছে চাওয়া পাওয়ার মাঝে,
মুক্তির মাঝে লুকিয়ে আছে স্বাধীনতার স্বাদ।
দেখেছো কি ফাইল হাতে দাঁড়িয়ে থাকা বেকারের চোখে?
সে স্বাধীন হয়ে ও মুক্তি চায় বেকারত্বের হাত থেকে।
কর্ম ব্যস্ত জীবন, রাস্তায় হাহাকার,
একা ফিরছে নারী,হায়নার লোলুপ দৃষ্টি…
মুক্তি চাই সে,নিরাপওা হীনতার।
যদি দিতে পারি তবেই সার্থক এই স্বাধীনতা।
ভগবান রূপী পথ শিশুরা আজ অসহায়,
কোথায় তাদের স্বাধীনতা?
মুক্তি চাই শিশু শ্রমের হাত থেকে…
ফিরিয়ে দিতে চাই তাদের প্রকৃত স্বাধীনতা।
মুক্তি চাই ক্ষদার্থ ভিখারীর হাতের ঝলসানু পোড়া রুটি থেকে।
বাঁচার অধিকার তো তাদের ও আছে।
ঘরের দেওয়াল সাজিয়েছো ডিগ্রির সমাহারে,
কেন তাহলে মা বাবা বৃদ্ধাশ্রমের দ্বারে?
আর কতটা নিলজ্জ হবে?
“এবার তো মুক্তি দাও”
মা বাবা বলছে সমোস্বরে।
কখন জানি শেষ হবে অর্থনৈতিক সংকটের সে অন্ধকার রাত
রক্তাক্ত রাজনৈতিক হানাহানি দেশকে করেছে বরবাদ।
এক লহমায় মুক্তি চাই,স্বাধীনতা চাই।
ধর্ষন মুক্ত সমাজ চাই।
হবে তো সে স্বপ্ন পূরণ?
এই মুক্তির স্বাদ হবে অমৃত সমান,
আবার ও শিশুর বাস যোগ্য পরিবেশ হবে,
হাতে ধরা দেবে পূর্ণ স্বাধীনতা।