স্বাধীনতার স্বরূপ
আগষ্টের পনেরো দুহাজার একুশ,
স্বাধীনতা লাভের পঁচাত্তরটি বসন্ত অতিক্রান্ত হল বলে...
এখনও রাজ অতিথি এলে দেওয়াল গেঁথে পার্থক্যটা তুলে ধরছি--একদিকে ইনক্রিডেবল ইন্ডিয়া আর অপরদিকে বুভুক্ষু ভারতবর্ষের...।
একদিকে মুষ্টিমেয় বিলিয়নেয়ার-ট্রিলিয়নেয়ার অপরদিকে ফুটপাতবাসী আমার হতদরিদ্র মিলিয়ন মিলিয়ন আর বিলিয়ন ক্ষুধাতুর ভারতবর্ষ...।
বুক ফেটে কান্না বের হয়, অন্তঃকরন হাহাকার করে ওঠে- " ইয়ে আজাদি ঝুঠা হ্যায়"।
প্রতিবেশিদের তুলনায় ক্ষুধা সূচক পিছিয়ে পড়ার লজ্জা মাথা নত করে দেয়।
তবুও শত দুঃখের মাঝেও এক চিলতে আশার আলো।
এই পোড়া দেশের অব্যাহত বিজ্ঞানের জয়যাত্রা, খেলার জগৎে দাঁপট,সাহিত্য, শিল্প কলায় খ্যাতি-- বাধ্য করেছে সুটেড-বুটেড পশ্চিমা সাহেব-সুবোদের মাথা নত করতে।
এখন সময় হয়েছে
সমতা-ন্যায়-স্বাধীনতা-সৌভ্রাতৃত্ব কে সংবিধানে লিপিবদ্ধ আক্ষরিক নীতি হিসেবে নয়, জীবনের সঙ্গে মিশিয়ে চলবার।
এসো হে বন্ধু, তুমি বহুতলের হুজুর,
তুমিও এসো হে বন্ধু ভূ-তলের মজুর,
আমরা হাতে হাত আর কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশটা নতুন করে গড়ে তুলি, এসো সবে--
দেখবে "ভারত আবার জগৎ সভায় শ্রেষ্ঠ আসন লবে।"