দারুণ ডিসেম্বর!
ওদের কেউ কেউ আমার সহচিন্তক ছিলো কখনো,
হঠাৎ বদলে যায় স্বজনদের ব্যস্তজীবন।
পা-পথে শুয়ে কাটিয়েছিল এমন দারুণ হীম-রাত!
শিশির মশারী হলে কতটা ওম্ থাকে ভেতরে !
কি করে জানবে হৃদয়ে পাথর জড়িয়ে।
যতটা ভাবি,নদীর মতো ফুঁপিয়ে কাঁদে দিঘল রাত,
জাগিয়ে রাখে শোকে,বেদনা বিভোর ।
অসংখ্য কুপি জ্বালিয়ে,এই যে হৃদয়ে জাগা
অথবা না জাগা,
তাতে বদলাবেনা কিছু জানি।
তবু স্বপ্নের ছিপি খুলিয়া দেখি অনন্তে উজ্জ্বল মানুষের মুখ।
অনন্ত তো অসীম,
ওখানে বিলিন হলে কেউ,
হাজার প্রর্থনাতেও যায় না ফেরানো তাকে।
না ফেরার দেশ থেকে প্লাবন আসে কখনো,
কেউ কি বন্যা দেখোনি?
এ অসংলগ্ন সময়ে ব্যক্তিগত বিরহের কথাবস্তু পড়ে থাক,
সময়ের নির্মম পায়ের কাছে।
মানুষ শুয়ে আছে ফুটপাথে
একটু ভাবুন---
ক্ষুধার সকল অন্ন ফুরিয়ে গেলে নদীতে জোয়ার আসে আবার।
কতদিন মানুষকে বোকা ভাবা যায়!
উপেক্ষিত মানুষের কাছেই ফিরতে হয় পুনরায়,
পৃথিবীর সব সুচিন্তা মানুষের জন্য,
শিশু ও শান্তির জন্য।
মানুষ ছাড়া কার জন্য আগলে রাখো এ সুসময়!
কেন আজকাল ঘুমোতে গেলেই পোড়ায় শুধু বুক!
ক্রমাগত দীর্ঘ,দীর্ঘ হয়ে ওঠে ফুটপাথের দারুণ ডিসেম্বর!