বিরহ-সমুদ্রের একান্তে অনুতাপের পাহাড় ঘেঁষে
শূন্যতা জ্বলে জোনাকি হয়ে স্মৃতির গলিঘুঁজিতে
যে দিন গেছে সেদিন আসে পুনরায় ফিরে ফিরে
স্তব্ধতার রঙিন রাস্তায়—কথা বলে সে মৌনভাষায়
যাপিত জীবনের দুয়ার খুলে খুলে।
ভিজছে হৃদয় একা একা ফেলে আসা ভুল-সঙ্গে
পুরোনো জোৎস্না কুয়াশার মত কথা কয়
অনেক স্বপন ঢেকে দিয়ে স্বপ্নের মতো সুদূর কণ্ঠে ।
আহা, অভিমান!
কীভাবে পুড়ো তুমি প্রচণ্ড বৃষ্টিতে ভিজেও!
বলো,কীভাবে উড়াও তুমি উত্তুঙ্গ প্রেমের পদাবলি
মেঘ থেকে মেঘের শিখরে!
আমি হাত দিয়ে মেঘ ছুঁই,
মেঘ হাতড়ে খুঁজি তোমার মন
অথচ তোমাকে পাই কতটুকু?
বুঝি তুমি কেঁপে ওঠো তবু প্রবল পরিতাপের ঘোরে...
ফাটলে-ফাটলে বিষণ্নতা—
তারপর অনুভব
প্রেমের গভীর কোলাহল ডিঙিয়ে গোপনে
রাতের স্রোতের মতো নীল খিপপ্রোতায় একলা
বুকের অতল দিগন্তের মাঝখানটায়
মোহ-মায়া নিয়ে টুপ করে মিশে—
ফের যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা
প্রেমে-অপ্রেমের
স্মৃতি-বিস্মৃতির
তারপর... পর...বহুপর...
সব প্রেম হেরে গেলে ঈর্ষা কথা কয়।