খুনি
কোন এক হৈমন্তী পূর্ণিমা রাতে
গোলাপটি তখনও ভালো করে ফোটেনি
সদ্য প্রস্ফুটিত একটি গোলাপের গলা টিপে
খুন করেছিল নিধিরাম,
অথচ তার হাত কাঁপেনি
হৃদস্পন্দনের কোন হেরফের হয়নি !
সেই থেকে-
সে খুন করেই চলছে
কখনো রাতদুপুরে
কখনো গোধুলীতে
লাশকাটা ঘরে কিংবা লোকচক্ষুর অন্তরালে
খুনের নেশা তার রুধির ধারায়
অবিরাম বয়ে চলছিল কি সহজে
সে ছুরি চালায়
পাকা কসাইয়ের মতোই রোজ
প্রতিটি মায়ের হৃদপিণ্ডকে টুকরো টুকরো করে
ছুরিতে শান দেয় ঠান্ডা মস্তিষ্কে...
এসব বিপ্রতীপ ঘটনার সাক্ষী
রাতের জোনাকীরা,
আকাশভরা তারা আর সূর্যের ফোটন কণারা
বাকরুদ্ধ
এসব দেখে দেখেই
তারারা ক্ষিপ্ত
সূর্য ফুঁসছে
আর প্রতিজ্ঞাবদ্ধ জোনাকিরা
হয় তো একদিন মানুষের বিবেকের আদালতে
সমন পাঠাবে ওরা,
সে দিন আর খুব বেশি দূর নয়
কবির কলম গর্জে উঠে
কবিতার শব্দগুলো ফ্যাটম্যান এর মত
আছড়ে পড়বে আগামীর বুকে এবং
বিচার চাইবে...