চড়ুইভাতি
দুই হাজার একুশ সাল
বিশ এ জানুয়ারির ভোর।
এক অদ্ভুত দৃশ্যের অনুভূতি
আমি বিব্রত শঙ্কিত।
সময়টা ছিল সকাল ছয়টা,
কিন্তু প্রকৃতির অন্যরূপ।
এ মোবাইলওমোবাইল দেওয়াল ঘড়ি,
সবকটা সমানতালে চলছে।
প্রকৃতি বলছে শীতের ভোর
চার পাঁচটার আশপাশ।
নীল আকাশের উপর ঘোলাটেে মেঘের ভারি প্রলেপ এক রোমাঞ্চকর দৃশ্য।
ধরা পড়ছিল মেঘের চড়ুইভাতি
রণাঙ্গন সৈনিকে পরিপূর্ণ।
মেঘে সূর্যে লড়াই,
সূর্যের বেরিয়ে আসা অসম্ভব।
ঊষার আগেই মেঘের,
তীব্র আক্রমণ ঐকপত্য ।
স্বার্থ কঠিন-কঠোর অধ্যবসায় যেখানে প্রশ্রয় এর স্থান শূন্যের কোঠায়।
মেঘের বে-পরোয়াপণায় জীবজগৎ স্তম্ভিত।
হার-জিতের তুমুল লড়াই এ সূর্যের তীব্র প্রখরতা এদিন হারিয়ে গেল।
আনন্দ উৎসবে মাতোয়ারা মেঘমালা আলোক বিহীন পৃথিবীকে উপভোগ করছিল।
সূর্যের বক্তব্য,মেঘের ও অধিকার আছে ,তবে ছিনিয়ে নেওয়া অন্যায়।
শেষে পরাজয়ের মূর্ছনায়
ক্লান্ত-পরিশ্রান্ত সূর্য নিদ্রাগত।