মৃত্তিকা জঠরে গোজুম্পার তাগিদে
অপেক্ষারা আজ রাতের ট্রেন সেই অচেনা মুখে র মূখোশে।
কেউ আসবে জীবন পরিধি বিস্তৃত গাছের শিকড় উপড়ে ফেলে যেতে।
কেউ ইচ্ছে ঘুড়ি কে ছৈলা বানিয়ে ছিড়ে ফেলবে, আবার কেউ দাড়ি য়ে আছে বটবৃক্ষের ন্যায় কংক্রিটের শহরে,
উচুঁ দালান কোঠায় দাড়িয়ে শেকড়ধারী গাছের গোড়ার দিক মৃত্তিকা জঠরে গোজুম্পার তাগিদে।
ভিষন অন্ধকার মিট মিটে অসহায় আলোয় দাড়িয়ে এক ক্লান্ত পথিক।
ঘাত প্রতি ঘাতের দগ্ধ হৃদয় অশরীরী দেহে,
মনের মণিকোঠায় নীরব স্মৃতি সীম্মফনি যেন সমুদ্রেরজ নোনা জলে পুষ্ট।
পথিক আবারও একবার ফিরে তাকাও না
নীরস পদধ্বনি দাপটে।
পৃথিবীর উলঙ্গ ধরার কোলে কত যন্ত্র না কত চিৎকার কতিপয় হ্ঁংকার।
অনবরত হানাদার বাহিনীর খোচাখুচি রক্তাক্ত ধরণীর কোঠার আঘাতে ভুরভুর করা লাশের গন্ধে চারিদিক উন্মাদ আত্মগোপন করেছে বিমুর্ত পথিক।