কার কুয়াশা জড়ানো ভোর
কার কুয়াশা জড়ানো ভোর,
কার নিথরোষ্ণ হাতের ছোঁয়া
চেয়ে আছে শূণ্য করোতল।
মুখ তার গোধূলির ঝাপ্ সা সুদূরে
মৃদু ডানা মেলে উড়ে যাওয়ার মত
কত প্রণয়ের গন্ধমাখা এ মাটি, এ-পবন....
যেন লন্ঠনের চিমনী জুড়ে বিষন্ন ধোঁয়া।
বলো বলো, হে সূর্যনাবিক!
বধিরের আঁধার সাগরে
রোরো নদীর জল ঢেলে
চলেছ মহাশূণ্যের কোন্ দিকে?
বলো কোন্ দিকে যাবো,
কোন্ প্রহরের ছিন্ন বলয়ে
আলোহীন অন্ধহীন অদৃশ্য উন্মাদের শব্দশিশু...
জলচাবি, হাওয়ামহল এ-ফোঁড় ও-ফোঁড়।
স্তব্ধ গুঞ্জনের বাঁকে বাঁকে
আভূমি অর্বুদ কোটি নক্ষত্রের নিষিক্ত গ্রন্হিরসে
ভিজে ওঠে
কার কুয়াশা জড়ানো ভোর।