জম্পুই পাহাড়ে
জম্পুই পাহড়ে এলে পৃথিবীটা ছোট হয়ে যায়
সুন্দরী ত্রিপুরার চিবুকের তিল চমকায় আবেশে আবেগে ভোরের আকাশ সারাদিন ছুঁয়ে থাকে
হৃদয়ের চিলে কোঠা
জগত নন্দিত কমলাবাগান সুগন্ধ ছড়ায় সুষুম্নায়
মনেহয় পার্থিব স্বর্গ এই বিশ্বে একমাত্র জম্পুইপাহাড়।মেঘ-বৃষ্টি-আলোর নান্দনিক খেলাই
ইন্দ্রধনুর চিত্রকল্প ঈশ্বরের হাসি হয়ে
জীবনের সব আয়োজন ভরেদেয় অলৌকিক ছন্দে
জম্পুই পাহাড়ের অধিবাসীরা কেউ মানুষ নয়
মানুষের জন্য অশরীরী উপহার
নৃত্য-বাদ্য-সুরে ছন্দে ইন্দ্রের সভা
যেখানে ঘুঙুর পায়ে নেচেছিল বেহুলাসুন্দরী
ত্রিজগত মোহিনী তালে লয়ে আলোক বিহারে।
এখানে আকাশ ছুঁয়েছে পাহাড়, মেঘমালারা
মাথালগ্ন হয়ে উড়ে যায় কুসুমের দেশে
হাতবাড়ালেই মেঘ এসে কথাবলে, গোপনকথা
জম্পুইয়ের সুন্দরীরা অতনুসুন্দরী
প্রেম-অপ্রেম তাদের কাছে আলুকাবলির মত
দোপাট্টায় ঢাকা দেহে যুগল পর্বত
স্বর্গভ্রষ্ট দিওতিমারা মর্তে এসে করেছে বিহার।
নারী-নিসর্গ-ফুলফলের এমন মনোহারি বিলাস
যারা দেখেনি তাদের কী দরকার ছিল
মানব হয়ে জন্মাবার
আমি বলি জম্পুই পাহাড়ে এসে
একবার দেখে যাও ওফেলিয়াদের কমলা উৎসব
অফুরন্ত সবুজ আর নারী-নিসর্গের মাখামাখি।