ঋতুস্নান
কতদূর যেতে পারো তুমি? কতদূর?যেদিন জ্যোৎস্না ও সমুদ্রে শঙ্খ লাগবে, তুমি জড়িয়ে ধরবে আমায় লেজ দিয়ে পাকে পাকে, মেঘ ভেবে পাবেনা ঠিক কোথায় জল ঝরাতে হয়, ঠিক কোথায় থামাতে হয় আবর্তনের সেতুবন্ধন। তুমি রোদ হয়ে ওঠার আগেই আমি কপাল থেকে সরিয়ে নেব সমস্ত নৌকো। সমস্ত জলপ্রপাত ঈর্ষা হয়ে তাকিয়ে থাকবে আমাদের বরফ শীতল দেহদুটোর দিকে। তখন শৃঙ্গারের রঙ বাদামি, যৌনতার রঙ আদিম তামাটে। আমরা হাত ঘষে ঘষে বের করে আনবো পালঙ্কের নিচে লুকিয়ে রাখা বাক্সতোরঙ্গ যার ভাঁজে ভাঁজে গোপনতার কারুলিপি।তোমার ঠোঁট তখন আর কোনো ঠোঁট নয় যেন উঠোন জুড়ে ধান খুঁটে বেড়াচ্ছে একটা চড়াই,আমার দেহ থেকে সমস্ত শুষে নেওয়া ঘাম তুমি ফুঁ দিয়ে উড়িয়ে দিচ্ছ রোদের বিপরীতে আর তার ভেতর থেকে উঠে আসছে বিচিত্র রঙের ওলট পালট। দুটো দেহ যেন পিষে যাচ্ছে পোরসেলিনের বাটিতে। সবাইকে অবাক করে জন্ম নিচ্ছে আমাদের মেয়ে, তরল আগুনে ভর দিয়ে উঠে বসছেন ঋষ্যশৃঙ্গ মুনি। একটি মুহূর্ত জন্ম নিচ্ছে শেষ হবার আগেই
