সেদিন সত্যি বলেছিলি
কি জানি কখন তুই এসেছিলি কোন অজানার
আকাশে তখন সূর্য পাটে যাবার পালা
কি সুন্দর সৃজন সন্ধ্যার আকাশ, হয়তো কোথাও কোন সুদূরের পারে সুরের মাধুরী বিলায়ে তুই মেহগিনীর বন ছাড়িয়ে সমুদ্রতরঙ্গ খুঁজছিস।
নীলাঞ্জন।
ঠিক এমনি দিনেই তোর আমার ভালোবাসার তীব্রতা পায়।
আমি রইনু চেয়ে আজো বাতায়ন পরে তোরই পথ চেয়ে।
মনে পড়ে হায়।
যেদিন গেছে হারায়ে কিসের তরে অন্বেষণে।
দ্বীপ নেভে, তবু আঁখি জল মোছে না।
কদিনই বা ছিলো; আমাদের সুখনীড়।
রেখে গেছিস চির জন্মের ঋণী আমাকে।
যে পথ দিয়ে গেছিস ঝুলিতে ভরে আমার , তোর পায়ের ছায়াতে আমার কাব্যাঞ্জলীর ধারা কস্তুরী ফুলের সৌরভ ছড়ায়।
হয়তো কোন নক্ষত্রমণ্ডলে তুই ধ্রুবতারা চেয়ে দেখিস আজও আমারে।
আমার মৃত্যু শিয়রে ও তোর স্পর্শতার শিহরণ জাগাবে আলোকবর্তিকা।
দুরত্ব সেদিন দুরত্ব ছিলোনা; আমরা মিলেছি হাস্নুহানার কুঞ্জলতার সীমারেখায়।
তোর দেখানো পথ বেয়ে আমার স্বপ্ন তরী চলে কস্তুরী ফুলের সৌরভে।
জানি !
প্রতিক্ষণ প্রতিদিন তুই আমার ছায়াসঙ্গী।
আগলে রাখিস মমতার ভালোবাসার বাহুডোরে।
নীলাঞ্জন।