অসহায় মহাদেব
কৈলাশে মহাদেব প্রচণ্ড রেগে গিয়েছেন।
উনি মা দুর্গাকে কিছুতেই মর্তে আসতে দেবেন না কারন ওখানে করোনা ভীষন ছোঁয়াচে ব্যাধি ।উনি মর্তে ওনার দূত নারদকে পাঠিয়ে খবর নিয়েছেন যে কেউ আক্রান্ত হতে পারে আর এর কোনো ওষুধ নেই।
কিন্তু দুর্গা নাছোড়বান্দা ওনার জেদ ,প্রত্যেক
বছরেরতো এবছরও মাত্র কটা দিনই সপরিবারে যেতে চান।তাই তার দাবি
যেতে দিতে হবে।
এদিকে স্বর্গের অন্যান্য দেবতারাও নাছোড় বান্দা তারা মহাদেবকে হুমকি দিয়েছে।
--অন্তত তিন মাস মহাদেবের পরিবারকে আর স্বর্গে ঢুকতে দেবে না। অথবা সবাইকে করোনা টেস্ট করিয়ে নেগেটিভ রেজাল্ট দেখিয়ে ঢুকতে হবে।না হলে কৈলাশের ওই ঠান্ডায় এবার তাদের কাটাতে হবে।
মহাদেব দুর্গাকে হাজারো কাকুতি মিনতি করে বোঝাচ্ছে যে, দেবতারা তাদের বয়কট করার হুমকি দিয়েছেন,
এই অবস্থায় না যাওয়াই শ্রেষ্ঠ।
দুর্গা কোনো বারণ শুনতে চাইছেন না।
বড় ছেলে গণেশও মাকে বোঝাচ্ছে কিন্তু কাজ হচ্ছে না।
এবার মহাদেব নন্দী ফিরিঙ্গি সহ সপরিবারে মিটিং ডাকলো
সকলের মতামত চাইলো।দুর্গা বাদে সকলের মত এবার না যাওয়াই ভালো
দুর্গা তবুও রাজি না।
অগত্যা মহাদেব ব্রহ্মার সাথে দেখা করে সব বললো, উনি বললেন আমি সব জানি কিন্তু কি করবো ?
দুর্গাতো আমার কথাও শোনে না।
আমি নিজেও এখন আর ঘর থেকে বার হই না করোনার ভয়ে যদি এখানেও চলে আসে। আমি তো এবার মর্তে যাওয়ার ঘোরতর বিরোধী। তুমি গিয়ে ওকে বলো আমি বারণ করছি ।এবার যাওয়া যাবে না। ওখানে মহামারী আর ও গেলে মানুষ অবুঝ তাই ভিড় করবে দেখতে ,আর বেশি বেশি করে ছড়াবে রোগ।
কাতারে কাতারে লোক মরবে।
দুর্গার জন্য এত মানুষের বিপদ মেনে নেওয়া যায় না। ওনার পরিষ্কার কথা
গেল ওকে ভুগতে হবে, স্বর্গে আর আমি ঠাঁই দেব না।তোমরা ঠান্ডায় মর।
মহাদেব কাঁদো কাঁদো হয়ে ওনার পা জড়িয়ে ধরে বল্লো --প্রভু,এতটা কড়া শাস্তি দেবেন না।
ব্রহ্মা- তোমার বউকে তুমি মানাও
আমার কথার ন