কোথায় হারাই!
শব্দেরা পথ ছেড়ে চলে গেছে কবেই, শুধু ইচ্ছে এখনো বেঁচে।
সে বলে, এতো সহজেই হেরে যাবে!
তোমার কবিতা তোমারই মতো বেঁচে।
যাবে যদি চলে ; কেন বেঁধেছিলে 'অরিগ্যামি' সুখ
শব্দের যৌবনে
কেন রাখলে নবজাতকের কাঁথার উপভোগে,
কেন সাজলে প্রেমিক!
ছিন্ন মূলের বেদনার ঘর কেন কেড়ে নিতে চাও!
শব্দ তো শুধু সম্মতি দিয়েছিল, আমি তো বাড়িয়ে ছিলাম দু'হাত।
নির্দ্ধিধায় বুকে টেনে নিয়ে চাটাই-এর যোগ্য করে
বসতে দিয়েছিলাম তোমাকে।
কেন সংকোচ? অস্ত্র তোমারই হাতে;
সেই যে খেলাচ্ছলে শব্দের 'এক্কা-দোক্কা' ঘর।
শব্দেরা নির্নিমেষ তাকিয়ে ছিল তোমারই
অপরিপক্ক কলমের দিকে...
তারপর তো বয়ে গেছে ঝড়।
এলোমেলো ভাবনারা গড়েছে সেতু,
রেচনতন্ত্রে পরিপাক।
দোহাই তোমায় ফাল -ফাল করে স্বর্গসুখ তুমি মুছোনা,
বির্সজন দিওনা তোমার কবিতাকে।
বৃক্ষচক্রের বিশ্লেষণ করে বুঝি তার বয়সের মাপ।
তোমার কোষে হামলা চলুক
ভাঙুক নিরাপদ আশ্রয়।
উপেক্ষার যৌবন যাক ঝ'রে...।
চাদরের আড়াল থেকে বেরিয়ে আসুক পরিপুষ্ট
প্রেমিক।
আদরে- আবদারে শর্তহীন সখ্য গড়ে তুলুক কবিতার ঘরে।
শব্দেরা পথ ছেড়ে চলে গেছে কবেই, শুধু ইচ্ছে এখনো বেঁচে।
সে বলে, এতো সহজেই হেরে যাবে!
তোমার কবিতা তোমারই মতো বেঁচে।
যাবে যদি চলে ; কেন বেঁধেছিলে 'অরিগ্যামি' সুখ
শব্দের যৌবনে
কেন রাখলে নবজাতকের কাঁথার উপভোগে,
কেন সাজলে প্রেমিক!
ছিন্ন মূলের বেদনার ঘর কেন কেড়ে নিতে চাও!
শব্দ তো শুধু সম্মতি দিয়েছিল, আমি তো বাড়িয়ে ছিলাম দু'হাত।
নির্দ্ধিধায় বুকে টেনে নিয়ে চাটাই-এর যোগ্য করে
বসতে দিয়েছিলাম তোমাকে।
কেন সংকোচ? অস্ত্র তোমারই হাতে;
সেই যে খেলাচ্ছলে শব্দের 'এক্কা-দোক্কা' ঘর।
শব্দেরা নির্নিমেষ তাকিয়ে ছিল তোমারই
অপরিপক্ক কলমের দিকে...
তারপর তো বয়ে গেছে ঝড়।
এলোমেলো ভাবনারা গড়েছে সেতু,
রেচনতন্ত্রে পরিপাক।
দোহাই তোমায় ফাল -ফাল করে স্বর্গসুখ তুমি মুছোনা,
বির্সজন দিওনা তোমার কবিতাকে।
বৃক্ষচক্রের বিশ্লেষণ করে বুঝি তার বয়সের মাপ।
তোমার কোষে হামলা চলুক
ভাঙুক নিরাপদ আশ্রয়।
উপেক্ষার যৌবন যাক ঝ'রে...।
চাদরের আড়াল থেকে বেরিয়ে আসুক পরিপুষ্ট
প্রেমিক।
আদরে- আবদারে শর্তহীন সখ্য গড়ে তুলুক কবিতার ঘরে।