ঋণ
প্রায় শেষ বর্ষার কৃষ্ণ গহ্বর হায়েনা উদ্ধত বুট
এজিদ উত্তরসূরীরা এসেছিল ঘন ছায়া মৃত্যু এসেছিল বত্রিশ নম্বরের সিঁড়িতে
সেদিনের সেই গভীর রাতটা কেমন ছিল?
অনেক খুন সিমেন্টের ফ্লোর উষ্ণ
সে ম্যালা প্রশ্ন
যেখানে আমার নীলাভ আকাশ, দৃঢ় হিমালয়, প্রদীপ্ত সূর্য
অবারিত ফসলের সবুজ মাঠ,অগণন দোয়েলের সুর, আমজনতার বিশ্বাস
ভালবাসা আর পিতার রক্ত -স্রোত একাকার
পনেরো অগাষ্ট ভোরে বড্ড একা হয়ে যাওয়া
শ্রাবণ ভেজা বাতাসে অনন্ত বিষন্ন গীতি
রেডিওতে তারবার্তা, অভ্যূন্থানের এই এক রীতি...
দুঃখী মানুষ- শোষিতের পক্ষ স্বজন আর নেই!!
সমাধি সে অবধি ঠিকানা, এই গ্রহ পিতৃহারা
আত্মভোলা বাঙালি স্তম্ভিত
মাটি - পানি - বায়ু কোথায় পাই
বাবা নেই ডাক নেই কেউ নেই সমকক্ষ
মেঘে ঢাকা দৃষ্টি সীমানা আকুল অশ্রু -পাথর
সময় কে তোমার পক্ষ।
স্মৃতির মিনার আজো ভালবাসার অবিরাম নুন
অবনত তোমার কাছে
জনক তুমিই স্বাধীনতা
আমার হাজার বছরের ডি এন এ রিপোর্টে
তোমার খুন
তবুও রয়ে যায় অপরিশোধ্য বকেয়া ঋণ
স্পন্দিত বুকে এখানে থামতে চাই
টুঙ্গিপাড়া বাসস্ট্যান্ড, আমাকে নামিয়ে দিন...