বসন্ত সন্ধ্যা
কোন এক বসন্ত সন্ধ্যায়
আমি কবি হয়ে দাঁড়াব তোমার সম্মুখে
দীর্ঘকাল ধরে বুকে চেপে রাখা মাটির কান্না তোমায় দেব
তুমি সোনামুখী সুঁচ দিয়ে এঁকে রেখো
সংসারী নকশী কাঁথার মাঝে ভাঁজে ভাঁজে।
মানুষের রেখে যাওয়া পথে হেঁটে হেঁটে
কোলাহল জমিয়েছি দুহাত ভরে... তার সাথে..
তুমি চাইলেই তোমার ঐশ্বর্য পথে বিছিয়ে দিব
আকাশের মাত্রাহীন পদচিহ্ন।
যে চোখে জীবন্ত শ্বাস খেলা করে আগুনের সাথে
কিংবা নিঝুম রাতের স্তব্ধ নারীর কথা
তুমি ওই জোড়া চোখে খুঁজে নিও ফ্যাকাসে রঙের ঢেউ।
প্রাণের ভেতর যত অসংখ্য নদীর প্রত্নবেদনা
কখনো ধূলিকণার মতো উড়িয়ে দিয়েছি রাজপথে।
অবলীলায় তাও লিখে দিবো তোমার নামে....
কোন এক মাতাল সন্ধ্যায়
এবার আমি সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে দাঁড়াবো।
ক্লান্ত পথিকের নীরবতার পাশে।
রাজশ্রী তুমি চাইলে হাত ধরতে পারো।