স্মরণে মননে বাবা
এখন দেয়ালে বাবার ছবি টাঙানো
সৌম্য মূর্তির এক সুদর্শন পুরুষ ।।
মা ধূপকাঠি জ্বালিয়ে প্রতিদিন সন্ধ্যায় বাবাকে প্রণাম জানাতো
আমিও দুহাত তুলে প্রণাম জানাই
লোকটা সেই যে চলে গেলো ------
মা'র পরণে এখন শাদা থান
যেনো শাদা শাদা বক বসে আছে মা'র গায়ে
আসমানে সারি সারি শাদা মেঘ
পৃথিবী শাদা হয়ে যাচ্ছে ।।
বাড়িটা এখন ফাঁকা। শুনশান
শরতের শিশির মাখা আমন ক্ষেত
বাবার সুবাস
কাশবনে বাবা। প্রতিদিন কুড়োই স্বপ্ন। কুড়োই স্মৃতি।।
বাবা নেই অথচ বাবা আছে
বাবারা থাকে
লোকচক্ষুর আড়ালে বেঁচে থাকে যুগ যুগ
স্মৃতি হয়ে বেঁচে থাকে অনশ্বর কবিতার প্রতিটি পাতায়
রাত বাড়ে। গভীর হয়
বাবা ডাকেন আমাকে, আজ পঁচিশে বৈশাখ
প্রভাতফেরি হবে যে ---