বাবা
বাবা,ভীষণ আদরের
মনটা তাঁদের শক্ত পাথর,
নিজের সুখ উজাড় করে
সন্তান পালনে মত্ত।
যাঁর থাকেনা কোনো
হরেকরকম রঙবাহারী পোশাক,
গোটা বছর যায় যে তাঁর
একজোড়া জুতোয় কেটে
সারাদিনের পরিশ্রমেও যাঁর
সদাই খেলে হাসির ঢেউ,
নিজের মুখের গ্রাসটা ও
দিতে হয় না কভু কুন্ঠিত।
বুকের উপর পাথর চেপে
মেয়ের বিয়েতে ঋণ করে,
নিজের ঘর খালি করে
ঘরের লক্ষী পর করে।
ষাটের উপর বয়স পেরোলে
সন্তানের ঘাড়ে বোঝার ভারে,
চিলেকোঠার ঘরে দিব্যি হাসে
বৃদ্ধাশ্রম যাঁর শেষ ঠিকানা।