আদিম গণিতজ্ঞ ও ডোরাকাটা হাসপাতাল
তারপর গণিতের পৃষ্ঠায় থাকা নগ্ন সংখ্যার জন্য সবাই রাতের বেহালা বাদক হয়ে যায় , রডোডেনড্রন গাছের ভিতরে আজ ও কোন এক অশ্বারোহী মৃত মানুষের হাড় খুঁজে বেড়ায়
আমাদের আর কোন মৃত হরিণ জোনাকি রঙের অন্তর্বাস দেখিয়ে যায়নি ময়ূরাক্ষী বিছানার নিচে থাকা বর্ণহীন সংক্রমিত রক্ত কণিকাকে , হাসপাতালের করিডোর জুড়ে বাবা রঙের মানিপ্ল্যান্ট গাছটি জানালা বেয়ে ধৃতরাষ্ট্র হতে চাইছিল বারবার
দেয়াল শুধু ডোরাকাটা বাবার অভয়ারণ্য , শুধু ভৌত পরিবর্তনের সান্দ্রতা নিয়ে অক্ষম সমাক্ষরেখা নির্ণয় করছে আদিম জোড় কলম দিয়ে ,
একটা বিছানা জুড়ে আমাদের ত্রিভুজ সন্তান ও অসংখ্য তেজস্ক্রিয় ক্যানভাসে চিরহরিৎ অভয়ারণ্যে অ্যাক্রেলিক মসগুলোকে রঙিন জলে দ্রবীভূত করে দিল কোন এক মৃত পেন্ডুলাম
একদিন চলে এসো জলাশয় তোমার গোপন গুহা ছেড়ে , তোমাকেও ভগীরথ করে দেবো ছেঁড়া ছেঁড়া জিভের নিচে থাকা লাল-কামিজের পরিচ্ছন্ন অসুখের তিন ইন্টেস্টাইন , দুই ফুসফুস , আর চতুর্থ কর্মেন্দ্রিয় দিয়ে
নীল পুরুষটি মধ্যরাতে ওঠেন অট্টহাসিতে ফেটে পড়েন আর আধখানা ইঁট বুকের কাছে জমিয়ে রেখছে উলঙ্গ সালোকগ্রাম ভেবে ,
বাবার মতো আর কোন পিথাগোরাস জন্মায়নি পৃথিবী জুড়ে
আসলে অভয়ারণ্যের ভেতর শালফুলের মদে ভেজা বাবাকে প্রতিদিন অ্যাসাটিভ সেন্টেনস বলেই মনে হতো আমার