দেশ
শুনছি, ফুসফুসের মধ্যে দু - খানা ইটের বাকী ।
তারপরই ইঞ্জিন ঢুকবে।সব দেশ উঠানামা করবে।
যদি চুন কালি বেশি থাকে
তাহলে দশের ঘাড়ে অক্সিজেনের শুল্কঘর
আকাশ ফাঁটাবে। স্টেশনের পাশে ভুলবকা খিলকষা
নিল-ডাউন রোডে কান মলে হাত ;
আর ট্রাফিকের খা খা অঙ্গারে
ডানা ঝাপটে ওঠে তীব্র পলাশ।
এভাবে এক ছাত্রের জোরে জোরে
রচনা বসন্তকাল পড়া, আর ব্যাকরণের নিপীড়নে
নিপাতন শিক্ষক -হামাগুড়ি দেয়
ফুসফুসের যানজটে জড়িয়ে পড়া
হাজার হাজার জ্ঞানবাতির তীব্র তাড়ন হর্ণে।
উর্দ্ধ নিঃশ্বাসের নিরুদ্বেগ তলে
অনেক রক্তজলের নদী মাথা তুলতেই -----
অন্ধকারের পিঠে বজ্রবিদ্যুতের কয়েক ঘা....
হাসিমুখ ভারতবর্ষ ----
অকৃতকার্য ছাত্রের পিতারে বলেনঃ
এতো রাত্রে বাড়ী ফিরলে
কিভাবে দুরূহ পাঠের তর্জমা করবে
মাতৃবিহীন দেশের শুদ্ধাচারে।