কবিতা
অহম আরোগ্য
আমার পূর্বপুরুষেরা বাবাকে শূন্যতা এঁকে দিতেন।
বাবা এই শূন্যতার পথে হেঁটেছেন বহুকাল।
এটা পরম্পরাগত শূন্যতা।
এই শূন্যতায় হাঁটার কারণ জানি না।
এখন বাবাও আমাকে শূন্যতা এঁকে দেন।
আমি হাঁটি বাবার মতো।
ক্লান্ত হই।
ক্লান্ত চোখ আলগোছে বন্ধ হয়ে আসে।
চোখ বন্ধ হলেই ভাবি এই বুঝি সব গেলো, নিঃস্ব হলাম।
কিন্তু না সব শূন্যতা নিঃস্ব হবার নয়।
অনেক শূন্যতা ভালোবাসা শেখায়। অহমহীন ভালোবাসা।
পূর্ণ মানুষ শূন্য হলে সব অহম ছুড়ে ফেলে চলার খোরাক হয় ভালোবাসা,
এটা বোঝার সাথে সাথে
আমি তার নাম দিলাম অহম আরোগ্য।
আমার পূর্বপুরুষেরা বাবাকে শূন্যতা এঁকে দিতেন।
বাবা এই শূন্যতার পথে হেঁটেছেন বহুকাল।
এটা পরম্পরাগত শূন্যতা।
এই শূন্যতায় হাঁটার কারণ জানি না।
এখন বাবাও আমাকে শূন্যতা এঁকে দেন।
আমি হাঁটি বাবার মতো।
ক্লান্ত হই।
ক্লান্ত চোখ আলগোছে বন্ধ হয়ে আসে।
চোখ বন্ধ হলেই ভাবি এই বুঝি সব গেলো, নিঃস্ব হলাম।
কিন্তু না সব শূন্যতা নিঃস্ব হবার নয়।
অনেক শূন্যতা ভালোবাসা শেখায়। অহমহীন ভালোবাসা।
পূর্ণ মানুষ শূন্য হলে সব অহম ছুড়ে ফেলে চলার খোরাক হয় ভালোবাসা,
এটা বোঝার সাথে সাথে
আমি তার নাম দিলাম অহম আরোগ্য।