প্রণাম পালনকর্তাঃ
"জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরীয়সী"
মা-বাবা ছাড়াও প্রকৃতি আমাদের বাঁচিয়ে রেখেছেন, আলো, বায়ূ(অক্সিজেন), জল, ফল, আচ্ছাদন মাগনা দান দিয়ে।
ফুল, ভেষজ, জঙ্গল, পাহাড়, নদী, আকাশ, তারা, জোছনা, শিশির, পাখি, জীব সমাজের নয়ানাভিরাম অবদানও কম নয়। তারাও আমাদের মাতা-পিতা ভাইবোন আত্মীয় স্বজন, দেবতা।
এঁরা না থাকলে জীবনটা কেমন হত! এখানে হয়ত বলা যেতে পারে, 'তোমার যা - আমারও তা'। তাই বলে নিসর্গ বা প্রকৃতিকে অপাঙ্তেয় করা যায় না ! চিন্তার দরকার নাই বলা যায় না !
বলা যায় না বলেই, সুচিন্তক অবিভাবকরা অনুভব করেছেন একে রক্ষা করা প্রয়োজন। এই রক্ষার তাগিদেই যত নিয়ম-কানুন, আইন- আদালত, রীতি-নীতি, কৃষ্টি-সংস্কার, পূজা পার্বণ, পরিদর্শক ও সেবক।
অতিরঞ্জিত সংস্কার ও শৃঙ্খলা ভঙ্গ পরোক্ষভাবে প্রকৃতির উপর প্রভাব ফেলে, এর ফল আমাদেরই ভোগ করতে হবে । "প্রকৃতি তাড়াহুড়ো করে না সবকাজই সময়ে শেষ করে"।
পরবর্তী সন্তান ও তার সন্তানকে সুখ সৌন্দ্যর্য দিতে, সুশীল প্রকৃতি ভোগ করতে অবিভাবক হিসাবে আমাদের কী কাজ, তা আমাদেরই হাতে,