কবিতা
সমাপন
পড়ন্ত বিকেল,অস্তরাগের ক্ষণ
হাঁটছিলাম চেনা শহরের এক অচেনা মেঠোপথে
গা ঘেঁষে বয়ে গেছে জীবনদায়িনী মুহুরী।
যার সোহাগ দুঃখী জীবনে হাসির রসদ, পোড়া বুকে মুঠোভরা শান্তি। ভালোবাসায় সোনালী রঙে ভরতো মাঠ,চোখে জাগতো স্বপ্ন,কৃষক মনে আনন্দ বান
সেই পথেই শুনতে পেলুম এক অস্ফুট কান্নার স্বণ
তীব্র হাহাকার, দেখতে পেলুম লালিত স্বপ্নের মৃত্যু।
আমি নির্বাক,একাকিনী খোঁজে ফিরি
পোড়া দেশের বুক জোড়ে ঐ একই স্বণ,
যতই এগিয়ে চলি আরো গভীর হয়,একবার
থমকে দাঁড়াই আনমনে, এবার শুনতে পেলুম
বাঁচানোর প্রবল আকুতি।চঞ্চল মনে সহস্র প্রশ্ন
এই আকুতি তবে কার?
এমনি সময় শীর্ণ কায়ায় সমুখে দাঁড়ালো একটি ছায়া
ম্লান মুখে তার গম্ভীর জিজ্ঞাসা,
তবে তুমি কি শুনছো আমার কান্না? বেঁচে থাকার আর্জি নিয়ে দাঁড়ালাম সমুখে, ,সহ্যের সীমানা ছাড়িয়ে আমি বেদিশার দিশা।
দিনে দিনে ছিনিয়ে নিচ্ছ সবুজায়ন,বাড়ছে উষ্ণায়ন,
জলের হাহাকার, নদী হারাচ্ছে প্লবতা বাড়ছে দুর্ভোগ
প্রকৃতির বুকে দগদগে ক্ষত,গভীর হতে হতে আজ
সংক্রমিত,তাইতো আর্তনাদ,তোমাদের হাতেই আমার
সত্তা,বর্তমানতা। আমি পৃথিবী করছি অনুনয়
আমার কান্নার করো সমাপন।
পড়ন্ত বিকেল,অস্তরাগের ক্ষণ
হাঁটছিলাম চেনা শহরের এক অচেনা মেঠোপথে
গা ঘেঁষে বয়ে গেছে জীবনদায়িনী মুহুরী।
যার সোহাগ দুঃখী জীবনে হাসির রসদ, পোড়া বুকে মুঠোভরা শান্তি। ভালোবাসায় সোনালী রঙে ভরতো মাঠ,চোখে জাগতো স্বপ্ন,কৃষক মনে আনন্দ বান
সেই পথেই শুনতে পেলুম এক অস্ফুট কান্নার স্বণ
তীব্র হাহাকার, দেখতে পেলুম লালিত স্বপ্নের মৃত্যু।
আমি নির্বাক,একাকিনী খোঁজে ফিরি
পোড়া দেশের বুক জোড়ে ঐ একই স্বণ,
যতই এগিয়ে চলি আরো গভীর হয়,একবার
থমকে দাঁড়াই আনমনে, এবার শুনতে পেলুম
বাঁচানোর প্রবল আকুতি।চঞ্চল মনে সহস্র প্রশ্ন
এই আকুতি তবে কার?
এমনি সময় শীর্ণ কায়ায় সমুখে দাঁড়ালো একটি ছায়া
ম্লান মুখে তার গম্ভীর জিজ্ঞাসা,
তবে তুমি কি শুনছো আমার কান্না? বেঁচে থাকার আর্জি নিয়ে দাঁড়ালাম সমুখে, ,সহ্যের সীমানা ছাড়িয়ে আমি বেদিশার দিশা।
দিনে দিনে ছিনিয়ে নিচ্ছ সবুজায়ন,বাড়ছে উষ্ণায়ন,
জলের হাহাকার, নদী হারাচ্ছে প্লবতা বাড়ছে দুর্ভোগ
প্রকৃতির বুকে দগদগে ক্ষত,গভীর হতে হতে আজ
সংক্রমিত,তাইতো আর্তনাদ,তোমাদের হাতেই আমার
সত্তা,বর্তমানতা। আমি পৃথিবী করছি অনুনয়
আমার কান্নার করো সমাপন।