জিন প্রবাহ
স্বর্ণলতার বাহ্যিক রূপ আর কোমলতায় মুগ্ধ হয়ে ঠাঁই দিয়েছিলাম,
কিন্তু মূলে চির ধরতেই বুঝেছিলাম সে চোষক অস্ত্র বহন করে।
এক সমুদ্র অভিমান আর অভিযোগ নিয়ে যখন পথচারী হলাম,
পথের পাশেই দেখি খাটো মসৃণ একজাতীয় গাছ,
যার পাতাগুলো ছিলো ভেতর থেকেই মখমলে।
আমার বয়ে চলা সমুদ্র সে সিক্ত করে নিলো নিমেষেই।
তাঁর আবার জিনগত তেজ আছে।
সম্পূর্ণ বিশুদ্ধ,কোনো খাদ নেই সেই তেজে।
দোষ কেবল, সে বড্ড অবুঝ বড্ড খামখেয়ালি তাঁর।
জল শিথিল হতে হতে যখন ভারী মেঘ জমে গেলো,
মখমল তখন আর সেই ভার সইতে পারলো না।
ভেঙে খতিয়ে দেখলো না মেঘের জলবিন্দু।
ঘাড় ফিরিয়ে বুঝিয়ে দিলো,
জল ধারণ তাঁর জিনে নেই।
কিন্তু জলের স্পর্শ পেতে পেতে যে একটা সময় জিন বদলে যায়,
সেটুকু তাঁর খেয়ালে নেই হয়তো।।
তবু মসৃন-মখমলে-সৎ কচু গাছটিকে,
যথাসম্ভব বাঁচতে দেওয়াই আমার মনুষ্যত্বের জিন ধারা।।